
বিডিজেন ডেস্ক

কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে কখনোই আপস করবে না ভারত সরকার। দেশটির স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আবার কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) নরেন্দ্র মোদি জোর দিয়ে বলেন, দেশের কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের স্বার্থরক্ষার জন্য তিনি দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নাম সরাসরি না নিলেও মোদির নিশানায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন।
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির জট এখনো কাটেনি। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তির ক্ষেত্রে অন্তরায় মূলত কৃষি এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য নিয়ে দুই দেশের একমত হতে না পারা।
যুক্তরাষ্ট্র চায় ভারত কৃষিপণ্য, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার তাদের জন্য পুরোপুরি খুলে দিক। কিন্তু তাতে নারাজ নয়াদিল্লি। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চললেও ইতিমধ্যেই ভারতের ওপর দুই দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।
আজ লালকেল্লার ভাষণে মোদি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর সকলের জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু আমাদের কৃষকেরা আমাদের স্বাবলম্বী করে তুলেছেন। তাই ভারত সরকার কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে কোনো আপস করবে না। দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।’
‘আত্মনির্ভর ভারত’ নিয়ে সাফল্যের কথা তুলে মোদি বলেন, ‘অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল হওয়া বিপর্যয়ের অন্যতম অংশ। আমাদের স্বার্থরক্ষার জন্য আমাদের অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে।’
একবিংশ শতাব্দীকে ‘প্রযুক্তিচালিত শতাব্দী’ বলে উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, তাঁর সরকার সৌর, হাইড্রোজেন এবং পারমাণবিক খাতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নিয়েছে।
মোদির কথায়, আমাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আমরা অনেক দেশের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলতে হলে আমাদের জ্বালানির ক্ষেত্রে স্বাধীনতা লাভ করতে হবে।
তিনি বলেছেন, এখন ইতিহাস লেখার সময়। বিশ্ববাজারকে আমাদের শাসন করতে হবে।
ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মোদি বলেন, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক স্বার্থপরতা বাড়ছে। এখন আমাদের এগিয়ে যাওয়া এবং লক্ষ্য অর্জনের সময়। অন্যদের ছোট করে আমাদের শক্তি নষ্ট করা উচিত নয়। নিজেদের শক্তি কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সে দিকে নজর দেওয়াই উচিত। আমাদের বৃহত্তর লক্ষ্যের ওপর মনোনিবেশ করতে হবে। আমরা চাই, আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা স্বদেশী পণ্যের উপর জোর দিন। যদি সরকারি নীতিতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তবে তা আমাকে জানান।

কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে কখনোই আপস করবে না ভারত সরকার। দেশটির স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আবার কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) নরেন্দ্র মোদি জোর দিয়ে বলেন, দেশের কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের স্বার্থরক্ষার জন্য তিনি দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নাম সরাসরি না নিলেও মোদির নিশানায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন।
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির জট এখনো কাটেনি। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তির ক্ষেত্রে অন্তরায় মূলত কৃষি এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য নিয়ে দুই দেশের একমত হতে না পারা।
যুক্তরাষ্ট্র চায় ভারত কৃষিপণ্য, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার তাদের জন্য পুরোপুরি খুলে দিক। কিন্তু তাতে নারাজ নয়াদিল্লি। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চললেও ইতিমধ্যেই ভারতের ওপর দুই দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প।
আজ লালকেল্লার ভাষণে মোদি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর সকলের জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু আমাদের কৃষকেরা আমাদের স্বাবলম্বী করে তুলেছেন। তাই ভারত সরকার কৃষকদের স্বার্থের সঙ্গে কোনো আপস করবে না। দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।’
‘আত্মনির্ভর ভারত’ নিয়ে সাফল্যের কথা তুলে মোদি বলেন, ‘অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল হওয়া বিপর্যয়ের অন্যতম অংশ। আমাদের স্বার্থরক্ষার জন্য আমাদের অবশ্যই স্বনির্ভর হতে হবে।’
একবিংশ শতাব্দীকে ‘প্রযুক্তিচালিত শতাব্দী’ বলে উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, তাঁর সরকার সৌর, হাইড্রোজেন এবং পারমাণবিক খাতে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নিয়েছে।
মোদির কথায়, আমাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আমরা অনেক দেশের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলতে হলে আমাদের জ্বালানির ক্ষেত্রে স্বাধীনতা লাভ করতে হবে।
তিনি বলেছেন, এখন ইতিহাস লেখার সময়। বিশ্ববাজারকে আমাদের শাসন করতে হবে।
ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মোদি বলেন, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক স্বার্থপরতা বাড়ছে। এখন আমাদের এগিয়ে যাওয়া এবং লক্ষ্য অর্জনের সময়। অন্যদের ছোট করে আমাদের শক্তি নষ্ট করা উচিত নয়। নিজেদের শক্তি কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সে দিকে নজর দেওয়াই উচিত। আমাদের বৃহত্তর লক্ষ্যের ওপর মনোনিবেশ করতে হবে। আমরা চাই, আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা স্বদেশী পণ্যের উপর জোর দিন। যদি সরকারি নীতিতে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, তবে তা আমাকে জানান।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।