
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ায় (ইউপিএম) বাংলাদেশি নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর। বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ইউপিএম (বিএসএইউপিএম) আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি ইউপিএমের দেওয়ান তাকলিমাত হলে অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠিতব্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সঞ্চার করেছে। অনুষ্ঠানের সমন্বয়ের দায়িত্বে আছেন বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ইউপিএমের সাধারণ সম্পাদক এহতেশাম জিলহান বিন সালিম। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিএসএইউপিএম অ্যালামনাইদের সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে।
সমন্বয়ক এহতেশাম জিলহান জানান, "এ বছর নবীন শিক্ষার্থীর সংখ্যা থাকবে প্রায় ৪০ জন। আর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও অতিথি—যা বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক বড় মিলনমেলা হতে চলেছে।"
এ বছর নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিগুণ আয়োজন—দুটি পৃথক হলে অনুষ্ঠিত হবে অনুষ্ঠান। মূল হলে চলবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আর পাশের হলে থাকবে বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্টল, যেখানে সাজানো থাকবে খাবার, কারুশিল্প, স্মারক, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল পণ্য ও ফটো কর্নারসহ নানা আয়োজন।

আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, নবীনদের স্বাগত জানিয়ে বাংলা সংস্কৃতির সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। মঞ্চ পরিবেশনা, রিহার্সেল, ডেকোরেশন, স্টল সেটআপসহ প্রতিটি সেগমেন্টেই কাজ চলছে জোরেশোরে। স্বেচ্ছাসেবক টিমও ভাগ করে নিয়েছে রেজিস্ট্রেশন, অতিথি আপ্যায়ন, মঞ্চ ও স্টল পরিচালনা, সাউন্ড-লাইটসহ নানা দায়িত্ব।
আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন ইউপিএমের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ছাড়াও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, প্রবাসী কমিউনিটির সদস্য ও অতিথিরা। নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি পর্ব, নাচ-গান, নাটিকা, আবৃত্তি, ফ্যাশন শোসহ বৈচিত্র্যময় পরিবেশনা এ উৎসবকে করবে আরও বর্ণিল।
বিএসএইউপিএম জানায়, প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের সংস্কৃতির আনন্দকে ধরে রাখতে এবং নবাগতদের নতুন পরিবেশে আত্মিকভাবে স্বস্তি দিতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নতুন সম্পর্ক এবং বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্যে সাজানো এই ‘নবীন বরণ ২০২৫–স্বাগত ও সাংস্কৃতিক উৎসব’ এক আনন্দময় সন্ধ্যার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
দেখা হবে অনুষ্ঠানে—বাংলার রঙে, বাংলা সুরে, এক মিলনমেলায় স্লোগানে নতুন ও পুরাতন সকল শিক্ষার্থীকে বিএসএইউপিএম আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ায় (ইউপিএম) বাংলাদেশি নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর। বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ইউপিএম (বিএসএইউপিএম) আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি ইউপিএমের দেওয়ান তাকলিমাত হলে অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠিতব্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সঞ্চার করেছে। অনুষ্ঠানের সমন্বয়ের দায়িত্বে আছেন বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ইউপিএমের সাধারণ সম্পাদক এহতেশাম জিলহান বিন সালিম। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিএসএইউপিএম অ্যালামনাইদের সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে।
সমন্বয়ক এহতেশাম জিলহান জানান, "এ বছর নবীন শিক্ষার্থীর সংখ্যা থাকবে প্রায় ৪০ জন। আর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও অতিথি—যা বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক বড় মিলনমেলা হতে চলেছে।"
এ বছর নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিগুণ আয়োজন—দুটি পৃথক হলে অনুষ্ঠিত হবে অনুষ্ঠান। মূল হলে চলবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আর পাশের হলে থাকবে বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্টল, যেখানে সাজানো থাকবে খাবার, কারুশিল্প, স্মারক, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল পণ্য ও ফটো কর্নারসহ নানা আয়োজন।

আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, নবীনদের স্বাগত জানিয়ে বাংলা সংস্কৃতির সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। মঞ্চ পরিবেশনা, রিহার্সেল, ডেকোরেশন, স্টল সেটআপসহ প্রতিটি সেগমেন্টেই কাজ চলছে জোরেশোরে। স্বেচ্ছাসেবক টিমও ভাগ করে নিয়েছে রেজিস্ট্রেশন, অতিথি আপ্যায়ন, মঞ্চ ও স্টল পরিচালনা, সাউন্ড-লাইটসহ নানা দায়িত্ব।
আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন ইউপিএমের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ছাড়াও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, প্রবাসী কমিউনিটির সদস্য ও অতিথিরা। নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি পর্ব, নাচ-গান, নাটিকা, আবৃত্তি, ফ্যাশন শোসহ বৈচিত্র্যময় পরিবেশনা এ উৎসবকে করবে আরও বর্ণিল।
বিএসএইউপিএম জানায়, প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের সংস্কৃতির আনন্দকে ধরে রাখতে এবং নবাগতদের নতুন পরিবেশে আত্মিকভাবে স্বস্তি দিতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নতুন সম্পর্ক এবং বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্যে সাজানো এই ‘নবীন বরণ ২০২৫–স্বাগত ও সাংস্কৃতিক উৎসব’ এক আনন্দময় সন্ধ্যার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
দেখা হবে অনুষ্ঠানে—বাংলার রঙে, বাংলা সুরে, এক মিলনমেলায় স্লোগানে নতুন ও পুরাতন সকল শিক্ষার্থীকে বিএসএইউপিএম আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।