
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে শ্রমিকবাহী ভ্যানের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। গতকাল শুক্রবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সেপাং জেলার পুলাউ মেরান্তির স্মার্ট সদর দপ্তরের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। হতাহতরা সবাই ভ্যানের যাত্রী ছিলেন। নিহত বাংলাদেশি কর্মীর নাম ও পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সেলাঙ্গর অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিভাগের (জেবিপিএম)-এর সহকারী পরিচালক আহমেদ মুখলিস মুখতার জানান, তারা সকাল ৬টা ৪১ মিনিটে দুর্ঘটনার খবর পান। এরপর দ্রুত সাইবারজায়া অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার স্টেশন থেকে একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
আহমেদ মুখলিস আরও জানান, সকাল সোয়া ৭টার দিকে ভ্যানের পেছনের আসনে বসা ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভ্যানটিতে চালকসহ মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন।
এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ভ্যানচালক বর্তমানে পুত্রজায়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। অন্যান্য আহতদেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে শ্রমিকবাহী ভ্যানের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। গতকাল শুক্রবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সেপাং জেলার পুলাউ মেরান্তির স্মার্ট সদর দপ্তরের কাছে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। হতাহতরা সবাই ভ্যানের যাত্রী ছিলেন। নিহত বাংলাদেশি কর্মীর নাম ও পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সেলাঙ্গর অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিভাগের (জেবিপিএম)-এর সহকারী পরিচালক আহমেদ মুখলিস মুখতার জানান, তারা সকাল ৬টা ৪১ মিনিটে দুর্ঘটনার খবর পান। এরপর দ্রুত সাইবারজায়া অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার স্টেশন থেকে একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
আহমেদ মুখলিস আরও জানান, সকাল সোয়া ৭টার দিকে ভ্যানের পেছনের আসনে বসা ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভ্যানটিতে চালকসহ মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন।
এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ভ্যানচালক বর্তমানে পুত্রজায়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। অন্যান্য আহতদেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।