
বিডিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে সরকারি ও বেসরকারি খাতে এক বছরে প্রবাসী কর্মী বেড়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ। দেশটিতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ভারতীয় কর্মী। সম্প্রতি কুয়েত সরকারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়তের সরকারের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল কাবাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের জুনে কুয়েতে প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৪০ হাজার। এই বছরের জুনে এই সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৮০ হাজার। কুয়েতের প্রবাসী কর্মীদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যা ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩০ জন। ভারতের পরে কুয়েতে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী কর্মী রয়েছে মিসরের। দেশটিতে মিসরীয় কর্মীর সংখ্যা ৪ লাখ ৭৪ হাজার। কুয়েতে মোট কর্মীর ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশই প্রবাসী।
কুয়েত সরকারের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটিতে সরকারি খাতে কর্মীর সংখ্যা ৪ লাখ ৭৪ হাজার। এরমধ্যে ৭৯ দশমিক ৬শতাংশই কুয়েতের নাগরিক। এদিকে কুয়েতে বেসরকারি খাতে কর্মীর সংখ্যা ১৭ লাখ। যার মধ্যে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ রয়েছে কুয়েতের নাগরিক।
কুয়েতে শুধু প্রবাসী কর্মী নয় এক বছরে কুয়েতি কর্মীর সংখ্যাও বেড়েছে। দেশটির সরকার জানায়, গত বছরের জুনে কুয়েতি কর্মী ছিল ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪ জন। এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৫ জনে।
বর্তমানে কুয়েতের মোট জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। যার মধ্যে ৩৩ লাখই প্রবাসী।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে সরকারি ও বেসরকারি খাতে এক বছরে প্রবাসী কর্মী বেড়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ। দেশটিতে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ভারতীয় কর্মী। সম্প্রতি কুয়েত সরকারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়তের সরকারের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল কাবাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের জুনে কুয়েতে প্রবাসী কর্মীর সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৪০ হাজার। এই বছরের জুনে এই সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৮০ হাজার। কুয়েতের প্রবাসী কর্মীদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যা ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩০ জন। ভারতের পরে কুয়েতে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী কর্মী রয়েছে মিসরের। দেশটিতে মিসরীয় কর্মীর সংখ্যা ৪ লাখ ৭৪ হাজার। কুয়েতে মোট কর্মীর ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশই প্রবাসী।
কুয়েত সরকারের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটিতে সরকারি খাতে কর্মীর সংখ্যা ৪ লাখ ৭৪ হাজার। এরমধ্যে ৭৯ দশমিক ৬শতাংশই কুয়েতের নাগরিক। এদিকে কুয়েতে বেসরকারি খাতে কর্মীর সংখ্যা ১৭ লাখ। যার মধ্যে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ রয়েছে কুয়েতের নাগরিক।
কুয়েতে শুধু প্রবাসী কর্মী নয় এক বছরে কুয়েতি কর্মীর সংখ্যাও বেড়েছে। দেশটির সরকার জানায়, গত বছরের জুনে কুয়েতি কর্মী ছিল ৪ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪ জন। এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৫ জনে।
বর্তমানে কুয়েতের মোট জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। যার মধ্যে ৩৩ লাখই প্রবাসী।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।