
বিডিজেন ডেস্ক

থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশটিতে বিদেশি পর্যটকদের জন্য নতুন ভ্রমণ কর চালুর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। স্থানীয়ভাবে যেটি ‘খা ইয়েপ প্যান দিন’ অর্থাৎ—থাইল্যান্ডের মাটিতে পা রাখার কর নামে পরিচিত।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিদেশিদের জন্য নতুন ভ্রমণ কর প্রথমে ২০২৫ সাল থেকে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল থাইল্যান্ড। পরে দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তা নির্ধারিত সময়ে কার্যকর করা হচ্ছে না।
থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী চাক্রপোল তাংসুত্তিথাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মন্ত্রী সরাওয়ং থিয়েনথং বিষয়টি পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, বর্তমান সময় কর চালুর জন্য উপযুক্ত নয়। চলমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চাক্রপোল বলেন, ‘২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে আসন্ন পর্যটন মৌসুমে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগ্রহ কেমন থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।’
ভ্রমণের মাধ্যম—স্থল, জল, রেল বা আকাশ—অনুযায়ী কত কর ধার্য হবে, তা নির্ধারণে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। তবে কবে থেকে নতুন কর নির্ধারণ করা হবে তা কেউ বলতে পারেনি।

থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশটিতে বিদেশি পর্যটকদের জন্য নতুন ভ্রমণ কর চালুর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। স্থানীয়ভাবে যেটি ‘খা ইয়েপ প্যান দিন’ অর্থাৎ—থাইল্যান্ডের মাটিতে পা রাখার কর নামে পরিচিত।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিদেশিদের জন্য নতুন ভ্রমণ কর প্রথমে ২০২৫ সাল থেকে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল থাইল্যান্ড। পরে দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তা নির্ধারিত সময়ে কার্যকর করা হচ্ছে না।
থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী চাক্রপোল তাংসুত্তিথাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মন্ত্রী সরাওয়ং থিয়েনথং বিষয়টি পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, বর্তমান সময় কর চালুর জন্য উপযুক্ত নয়। চলমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চাক্রপোল বলেন, ‘২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে আসন্ন পর্যটন মৌসুমে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আগ্রহ কেমন থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।’
ভ্রমণের মাধ্যম—স্থল, জল, রেল বা আকাশ—অনুযায়ী কত কর ধার্য হবে, তা নির্ধারণে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। তবে কবে থেকে নতুন কর নির্ধারণ করা হবে তা কেউ বলতে পারেনি।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।