
বিডিজেন ডেস্ক

ইতালির কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের আলবেনিয়ার আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর শুরু করেছে।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) একটি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইতালির নৌবাহিনীর টহল বোট লিব্রা ১৬ জন অভিবাসীকে নিয়ে আলবেনিয়ার দিকে যাচ্ছে। ইতালির দ্বীপ লাম্পেদুসা থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজটির আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) আলবেনিয়ায় পৌঁছনোর কথা রয়েছে।
প্রথম দফায় আলবেনিয়ায় স্থানান্তরিত অভিবাসীদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি ও ৬ জন মিসরীয় নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে রোম।
এর আগে রবিবার (১৩ অক্টোবর) ভূমধ্যসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে এই ১০ বাংলাদেশি ও ছয় মিসরীয়কে উদ্ধার করে ইতালির কর্তৃপক্ষ। তারা লিবিয়ার ত্রিপোলি থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। কিন্তু ইতালি পৌঁছনোর পরিবর্তে তাদের এখন আলবেনিয়ায় যেতে হচ্ছে।
ইতালি-আলবেনিয়া বিতর্কিত চুক্তির অধীনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য দেশ প্রথমবারের মতো ১৬ জন অভিবাসীকে তৃতীয় দেশে পাঠাল। সেখানে তাদের পুরো আশ্রয় প্রক্রিয়া যাচাই করা হবে।
২০২৩ সালের সালের শেষের দিকে ইতালির ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামার সরকারের মধ্যে সই করা এক চুক্তির অধীনে প্রথমবারের মতো আলবেনিয়ায় যাচ্ছে এসব অভিবাসী। এই চুক্তি আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে বলে উল্লেখ রয়েছে। অভিবাসীদের আলবেনিয়ার নেওয়ার পর শেনজিন বন্দরের কেন্দ্রটিতে তাদের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করা হবে।
পরে তাদের নেওয়া হবে গজদারের তিনটি ভিন্ন অবকাঠামোতে। তিনটি অবকাঠামোর একটিতে যেসব অভিবাসীদের ‘ডিপোর্ট’ করা হবে তাদের রাখা হবে। দ্বিতীয়টিতে রাখা হবে আশ্রয়প্রার্থীদের এবং সবশেষ কেন্দ্রে রাখা হবে অপরাধে যুক্ত অভিবাসীদের।
এই কেন্দ্রগুলো উঁচু প্রাচীরে ঘেরা এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে। যেসব কক্ষে আশ্রয়প্রার্থীদের রাখা হবে সেগুলো একেকটি ১২ বর্গমিটার আয়তনের বলে জানিয়েছে রোম ও তিরানা। ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ অংশটি ইতালির সেনাদের দায়িত্বে এবং বাহ্যিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে আলবেনিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী।
এই প্রকল্পে মাধ্যমে প্রতি বছর ৩৬ হাজার অভিবাসীর আশ্রয় আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। এই চুক্তিটির সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ইতালি। পাঁচ বছরের এই প্রকল্পে ৬৭ কোটি ইউরো খরচ ধরা হয়েছে, যা বর্তমানে ইতালির অভিবাসী অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর মোট ব্যয়ের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। ভূমধ্যসাগরে অনিয়মিত অভিবাসন কমাতে আলবেনিয়া ছাড়াও তিউনিশিয়া ও লিবিয়ার সঙ্গেও চুক্তি করেছে ইতালি।
সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস

ইতালির কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের আলবেনিয়ার আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর শুরু করেছে।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) একটি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইতালির নৌবাহিনীর টহল বোট লিব্রা ১৬ জন অভিবাসীকে নিয়ে আলবেনিয়ার দিকে যাচ্ছে। ইতালির দ্বীপ লাম্পেদুসা থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজটির আজ বুধবার (১৬ অক্টোবর) আলবেনিয়ায় পৌঁছনোর কথা রয়েছে।
প্রথম দফায় আলবেনিয়ায় স্থানান্তরিত অভিবাসীদের মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি ও ৬ জন মিসরীয় নাগরিক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে রোম।
এর আগে রবিবার (১৩ অক্টোবর) ভূমধ্যসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে এই ১০ বাংলাদেশি ও ছয় মিসরীয়কে উদ্ধার করে ইতালির কর্তৃপক্ষ। তারা লিবিয়ার ত্রিপোলি থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। কিন্তু ইতালি পৌঁছনোর পরিবর্তে তাদের এখন আলবেনিয়ায় যেতে হচ্ছে।
ইতালি-আলবেনিয়া বিতর্কিত চুক্তির অধীনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য দেশ প্রথমবারের মতো ১৬ জন অভিবাসীকে তৃতীয় দেশে পাঠাল। সেখানে তাদের পুরো আশ্রয় প্রক্রিয়া যাচাই করা হবে।
২০২৩ সালের সালের শেষের দিকে ইতালির ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এডি রামার সরকারের মধ্যে সই করা এক চুক্তির অধীনে প্রথমবারের মতো আলবেনিয়ায় যাচ্ছে এসব অভিবাসী। এই চুক্তি আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে বলে উল্লেখ রয়েছে। অভিবাসীদের আলবেনিয়ার নেওয়ার পর শেনজিন বন্দরের কেন্দ্রটিতে তাদের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করা হবে।
পরে তাদের নেওয়া হবে গজদারের তিনটি ভিন্ন অবকাঠামোতে। তিনটি অবকাঠামোর একটিতে যেসব অভিবাসীদের ‘ডিপোর্ট’ করা হবে তাদের রাখা হবে। দ্বিতীয়টিতে রাখা হবে আশ্রয়প্রার্থীদের এবং সবশেষ কেন্দ্রে রাখা হবে অপরাধে যুক্ত অভিবাসীদের।
এই কেন্দ্রগুলো উঁচু প্রাচীরে ঘেরা এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে। যেসব কক্ষে আশ্রয়প্রার্থীদের রাখা হবে সেগুলো একেকটি ১২ বর্গমিটার আয়তনের বলে জানিয়েছে রোম ও তিরানা। ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ অংশটি ইতালির সেনাদের দায়িত্বে এবং বাহ্যিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে আলবেনিয়ান নিরাপত্তা বাহিনী।
এই প্রকল্পে মাধ্যমে প্রতি বছর ৩৬ হাজার অভিবাসীর আশ্রয় আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। এই চুক্তিটির সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে ইতালি। পাঁচ বছরের এই প্রকল্পে ৬৭ কোটি ইউরো খরচ ধরা হয়েছে, যা বর্তমানে ইতালির অভিবাসী অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর মোট ব্যয়ের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। ভূমধ্যসাগরে অনিয়মিত অভিবাসন কমাতে আলবেনিয়া ছাড়াও তিউনিশিয়া ও লিবিয়ার সঙ্গেও চুক্তি করেছে ইতালি।
সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।