

বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তিকে অনৈতিক ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করার দায়ে এক নারীকে ৫ হাজার দিনার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯ লাখ ৪২ হাজার ২৬৫ টাকা) জরিমানা করেছেন আদালত। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, একজন কুয়েতিকে হুমকি দেওয়া এবং তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে।
এ মামলার অভিযুক্ত বা ভুক্তভোগী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে কোনো তথ্য জানায়নি স্থানীয় প্রশাসন।
কুয়েতের আইনে অশ্লীল কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করলে জরিমানাসহ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ করলে শাস্তি আরও কঠিন। এ ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। সেইসঙ্গে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ওয়েবসাইট বা অ্যাকাউন্টগুলো ব্লক এবং দায়ীদের ওপর বড় ধরনের জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করার অভিযোগে গত মাসে এক শিক্ষককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত।

কুয়েতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তিকে অনৈতিক ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করার দায়ে এক নারীকে ৫ হাজার দিনার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯ লাখ ৪২ হাজার ২৬৫ টাকা) জরিমানা করেছেন আদালত। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, একজন কুয়েতিকে হুমকি দেওয়া এবং তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করার অভিযোগ আনা হয়েছে অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে।
এ মামলার অভিযুক্ত বা ভুক্তভোগী সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে কোনো তথ্য জানায়নি স্থানীয় প্রশাসন।
কুয়েতের আইনে অশ্লীল কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করলে জরিমানাসহ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ করলে শাস্তি আরও কঠিন। এ ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। সেইসঙ্গে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ওয়েবসাইট বা অ্যাকাউন্টগুলো ব্লক এবং দায়ীদের ওপর বড় ধরনের জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করার অভিযোগে গত মাসে এক শিক্ষককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।