
বিডিজেন ডেস্ক

অভিবাসীদের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অজনপ্রিয় সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতেই অভিবাসীদের নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয় , ২০২৪ সালে কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া অভিবাসীদের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৮৫ হাজার। আগামী বছর ৩ লাখ ৯৫ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দিতে চায় কানাডা সরকার। আর ২০২৬ সালে দেশটি ৩ লাখ ৮০ হাজার ও ২০২৭ সালে ৩ লাখ ৬৫ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কানাডা সরকারের একটি সূত্র।
সূত্রটি আরও জানায়, অস্থায়ী বাসিন্দাদের সংখ্যা আগামী বছর ৩০ হাজার কমিয়ে ৩ লাখে নামিয়ে আনা হবে।
অভিবাসীদের স্বাগত জানাতে কানাডার খ্যাতি রয়েছে। কিন্তু গত এক বছরে অভিবাসীদের প্রবেশ নিয়ে দেশটিতে সমালোচনা বাড়ছে। কানাডায় আবাসন সংকট থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধির জন্য অভিবাসীদের দায়ী করা হয়।
আগামী বছরের অক্টোবরে কানাডায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, অভিবাসন নীতিতে নাটকীয় পরিবর্তন এনেছে দেশটির সরকার। একটি জরিপে দেখা গেছে, জনসংখ্যার একটি ক্রমবর্ধমান অংশ মনে করে কানাডায় অনেক অভিবাসী রয়েছে।

অভিবাসীদের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা সরকার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অজনপ্রিয় সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতেই অভিবাসীদের নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয় , ২০২৪ সালে কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া অভিবাসীদের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৮৫ হাজার। আগামী বছর ৩ লাখ ৯৫ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দিতে চায় কানাডা সরকার। আর ২০২৬ সালে দেশটি ৩ লাখ ৮০ হাজার ও ২০২৭ সালে ৩ লাখ ৬৫ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কানাডা সরকারের একটি সূত্র।
সূত্রটি আরও জানায়, অস্থায়ী বাসিন্দাদের সংখ্যা আগামী বছর ৩০ হাজার কমিয়ে ৩ লাখে নামিয়ে আনা হবে।
অভিবাসীদের স্বাগত জানাতে কানাডার খ্যাতি রয়েছে। কিন্তু গত এক বছরে অভিবাসীদের প্রবেশ নিয়ে দেশটিতে সমালোচনা বাড়ছে। কানাডায় আবাসন সংকট থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধির জন্য অভিবাসীদের দায়ী করা হয়।
আগামী বছরের অক্টোবরে কানাডায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, অভিবাসন নীতিতে নাটকীয় পরিবর্তন এনেছে দেশটির সরকার। একটি জরিপে দেখা গেছে, জনসংখ্যার একটি ক্রমবর্ধমান অংশ মনে করে কানাডায় অনেক অভিবাসী রয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।