
বিডিজেন ডেস্ক

নতুন জুটি আহান পান্ডে ও অনীত পাড্ডা অভিনীত বলিউড সিনেমা 'সাইয়ারা'। গত ১৮ জুলাই মুক্তির প্রথম দিন থেকে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে মোহিত সুরি পরিচালিত সিনেমাটি।
শুরুতে ৮০০ পর্দায় মুক্তি পেলেও সিনেমাটি এখন ২ হাজার পর্দায় প্রদর্শিত হচ্ছে। 'সাইয়ারা' সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে যশরাজ ফিল্মস।
সিনেমাটি বর্তমানে ২০০ কোটির ক্লাবে ঢুকে পড়েছে। ভারতে এখনো পর্যন্ত সিনেমাটির নেট কালেকশন ২১৭ কোটি টাকা। এবার চোখ ৩০০ কোটির ক্লাবের দিকে।
'সাইয়ারা' সিনেমার গল্পে দেখা যায়, কৃষ কাপুর (আহান পান্ডে) একজন উদীয়মান গায়ক এবং বাণী বাত্রা (অনীত পাড্ডা) কবি ও গীতিকার। বাণী প্রথমে তাঁর প্রেমিকের কাছ থেকে আঘাত পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এ ঘটনার ৬ মাস পর তিনি একজন সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। তাঁর পরিচয় হয় কৃষের সঙ্গে। কৃষ একজন অস্থির ও স্বপ্নবাজ সংগীতশিল্পী। কৃষ বাণীর লেখা কবিতায় মুগ্ধ হন এবং তাঁকে তাঁর গানের জন্য গীতিকার হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব দেন।

একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে এক গভীর বন্ধন তৈরি হয় এবং তাঁরা একে অপরের প্রেমে পড়েন। তাদের এই প্রেমকাহিনির মধ্যেই আসে এক বড় মোড়। বাণী আক্রান্ত হন আর্লি-অনসেট অ্যালঝেইমার্স রোগে। ধীরে ধীরে তাঁর স্মৃতি হারাতে শুরু করে। এ সময় কৃষ ও বাণী কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। সিনেমার গল্পে প্রেম, বিচ্ছেদ, আত্মত্যাগ এবং স্মৃতি হারানোর যন্ত্রণা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
'সাইয়ারা' সিনেমার সাফল্যের অন্যতম আকর্ষণ আহান পান্ডে। বলিউড অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডের ভাতিজা হয়েও প্রচার ও গসিপ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের প্রথম ছবিতেই অনন্য এক পরিচিতি পেয়েছেন। প্রচারের মাঠে তাঁকে নামায়নি প্রযোজকেরা। ফলে ‘সাইয়ারা’ মুক্তির আগে বা পরে কোনো গণমাধ্যমেও দেখা যায়নি তাঁকে। অথচ তাঁর পুরোনো ভিডিও, কথাবার্তা, হাসিমুখ ছড়িয়ে গেছে নেট দুনিয়ায়। ভিডিওগুলোতে একমুহূর্তেই ‘হার্টথ্রব’ হয়ে উঠেছেন আহান। অনেকেই বলছেন, কোরিয়ান পপ কালচারের দাপটের মাঝেও বলিউডে নতুন এক তারকা জন্ম নিয়েছেন।
অন্যদিকে পাঞ্জাবি কন্যা অনীত পাড্ডার পথচলা একটু দীর্ঘ। ২০২২ সালে রেভতির ‘সেলাম ভেংকি’ ছবিতে ছোট একটি চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এরপর ‘বিগ গার্লস ডোন’ট ক্রাই’ সিরিজে মূল চরিত্রে কাজ করেছেন। কিন্তু পরিচিতির আলো জ্বালল সাইয়ারা–ই। আহানের মতো অনীতকেও রাখা হয়েছে প্রচারের বাইরে। তবে প্রেক্ষাগৃহে কিংবা অনলাইনে, তাঁদের রসায়ন নিয়ে মুগ্ধতার শেষ নেই।

নতুন জুটি আহান পান্ডে ও অনীত পাড্ডা অভিনীত বলিউড সিনেমা 'সাইয়ারা'। গত ১৮ জুলাই মুক্তির প্রথম দিন থেকে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে মোহিত সুরি পরিচালিত সিনেমাটি।
শুরুতে ৮০০ পর্দায় মুক্তি পেলেও সিনেমাটি এখন ২ হাজার পর্দায় প্রদর্শিত হচ্ছে। 'সাইয়ারা' সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে যশরাজ ফিল্মস।
সিনেমাটি বর্তমানে ২০০ কোটির ক্লাবে ঢুকে পড়েছে। ভারতে এখনো পর্যন্ত সিনেমাটির নেট কালেকশন ২১৭ কোটি টাকা। এবার চোখ ৩০০ কোটির ক্লাবের দিকে।
'সাইয়ারা' সিনেমার গল্পে দেখা যায়, কৃষ কাপুর (আহান পান্ডে) একজন উদীয়মান গায়ক এবং বাণী বাত্রা (অনীত পাড্ডা) কবি ও গীতিকার। বাণী প্রথমে তাঁর প্রেমিকের কাছ থেকে আঘাত পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এ ঘটনার ৬ মাস পর তিনি একজন সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। তাঁর পরিচয় হয় কৃষের সঙ্গে। কৃষ একজন অস্থির ও স্বপ্নবাজ সংগীতশিল্পী। কৃষ বাণীর লেখা কবিতায় মুগ্ধ হন এবং তাঁকে তাঁর গানের জন্য গীতিকার হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব দেন।

একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে এক গভীর বন্ধন তৈরি হয় এবং তাঁরা একে অপরের প্রেমে পড়েন। তাদের এই প্রেমকাহিনির মধ্যেই আসে এক বড় মোড়। বাণী আক্রান্ত হন আর্লি-অনসেট অ্যালঝেইমার্স রোগে। ধীরে ধীরে তাঁর স্মৃতি হারাতে শুরু করে। এ সময় কৃষ ও বাণী কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। সিনেমার গল্পে প্রেম, বিচ্ছেদ, আত্মত্যাগ এবং স্মৃতি হারানোর যন্ত্রণা চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
'সাইয়ারা' সিনেমার সাফল্যের অন্যতম আকর্ষণ আহান পান্ডে। বলিউড অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডের ভাতিজা হয়েও প্রচার ও গসিপ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের প্রথম ছবিতেই অনন্য এক পরিচিতি পেয়েছেন। প্রচারের মাঠে তাঁকে নামায়নি প্রযোজকেরা। ফলে ‘সাইয়ারা’ মুক্তির আগে বা পরে কোনো গণমাধ্যমেও দেখা যায়নি তাঁকে। অথচ তাঁর পুরোনো ভিডিও, কথাবার্তা, হাসিমুখ ছড়িয়ে গেছে নেট দুনিয়ায়। ভিডিওগুলোতে একমুহূর্তেই ‘হার্টথ্রব’ হয়ে উঠেছেন আহান। অনেকেই বলছেন, কোরিয়ান পপ কালচারের দাপটের মাঝেও বলিউডে নতুন এক তারকা জন্ম নিয়েছেন।
অন্যদিকে পাঞ্জাবি কন্যা অনীত পাড্ডার পথচলা একটু দীর্ঘ। ২০২২ সালে রেভতির ‘সেলাম ভেংকি’ ছবিতে ছোট একটি চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এরপর ‘বিগ গার্লস ডোন’ট ক্রাই’ সিরিজে মূল চরিত্রে কাজ করেছেন। কিন্তু পরিচিতির আলো জ্বালল সাইয়ারা–ই। আহানের মতো অনীতকেও রাখা হয়েছে প্রচারের বাইরে। তবে প্রেক্ষাগৃহে কিংবা অনলাইনে, তাঁদের রসায়ন নিয়ে মুগ্ধতার শেষ নেই।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।