
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবকে ২০২৫-২৭ সালের জন্য মানবাধিকার পরিষদ এইচআরসির সদস্য করতে জাতিসংঘে ভোট হয়েছিল বুধবার। তাতে আসন পায়নি সৌদি আরব। সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
শুধু এবার নয়, আগেও একবার সৌদির সঙ্গে এমন হয়েছে। সৌদির পক্ষে ২০২০ সালে আসন যায়নি। ৪৭ সদস্য দেশের মধ্যে জায়গা হয়নি তাদের। এবারও গোপন ব্যালটের ভোটে সবার শেষে অবস্থান হয়েছে সৌদির।
এবার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য ৫টি আসন বরাদ্দ ছিল মানবাধিকার পরিষদ এইচআরসির। প্রতিযোগিতায় ছিল ৬টি দেশ। এর মধ্যে ১১৭টি ভোট পেয়েছে সৌদি। কিন্তু প্রথম পাঁচে জায়গা হয়নি।
এই সংবাদকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, এতে প্রমাণিত হয় যে সৌদি আরব মানবাধিকার পরিস্থিতি ঠিক করতে কার্যকর কোনো চেষ্টা করছে না।
এ বছর সৌদি আরবে ২১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় বলে দাবি করেন মানবাধিকার গোষ্ঠী রিপ্রিভের পরিচালক মায়া ফোয়া। তিনি বলেন, মাদক অপরাধী এবং মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়ানো যাদের একমাত্র অপরাধ ছিল, এমন লোকদেরসহ প্রতিদিনই হত্যা করা হচ্ছে সৌদিতে।

সৌদি আরবকে ২০২৫-২৭ সালের জন্য মানবাধিকার পরিষদ এইচআরসির সদস্য করতে জাতিসংঘে ভোট হয়েছিল বুধবার। তাতে আসন পায়নি সৌদি আরব। সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
শুধু এবার নয়, আগেও একবার সৌদির সঙ্গে এমন হয়েছে। সৌদির পক্ষে ২০২০ সালে আসন যায়নি। ৪৭ সদস্য দেশের মধ্যে জায়গা হয়নি তাদের। এবারও গোপন ব্যালটের ভোটে সবার শেষে অবস্থান হয়েছে সৌদির।
এবার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য ৫টি আসন বরাদ্দ ছিল মানবাধিকার পরিষদ এইচআরসির। প্রতিযোগিতায় ছিল ৬টি দেশ। এর মধ্যে ১১৭টি ভোট পেয়েছে সৌদি। কিন্তু প্রথম পাঁচে জায়গা হয়নি।
এই সংবাদকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, এতে প্রমাণিত হয় যে সৌদি আরব মানবাধিকার পরিস্থিতি ঠিক করতে কার্যকর কোনো চেষ্টা করছে না।
এ বছর সৌদি আরবে ২১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় বলে দাবি করেন মানবাধিকার গোষ্ঠী রিপ্রিভের পরিচালক মায়া ফোয়া। তিনি বলেন, মাদক অপরাধী এবং মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়ানো যাদের একমাত্র অপরাধ ছিল, এমন লোকদেরসহ প্রতিদিনই হত্যা করা হচ্ছে সৌদিতে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।