
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে লোহার আকরিক উত্তোলনের অভিযোগে ২ বাংলাদেশি নাগরিকসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার মুয়াদজাম শাহের বুকিত ইবাম ফরেস্ট রিজার্ভের সুঙ্গাইগানো থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম মালয় মেইল এ খবর দিয়েছে।
মালয় মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স (জিওএফ) সপ্তম ব্যাটালিয়ন এবং পাহাং রাজ্য প্রয়োগকারী ইউনিটের যৌথ অভিযানে ওই ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জিওএফ সাউথইস্ট ব্রিগেডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খনির স্থানটি একজন স্থানীয় ব্যক্তি ২ বাংলাদেশি নাগরিকের সহায়তায় পরিচালনা করছিল। অভিযানে স্থানটির মালিক বৈধ খনির লাইসেন্স দেখাতে পারেননি এবং ২ বিদেশির কাছেও বৈধ পরিচয়পত্র ছিল না। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়স ৪০ থেকে ৫০ বছর।
কর্তৃপক্ষ প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি জব্দ করেছে।

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে লোহার আকরিক উত্তোলনের অভিযোগে ২ বাংলাদেশি নাগরিকসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) মালয়েশিয়ার মুয়াদজাম শাহের বুকিত ইবাম ফরেস্ট রিজার্ভের সুঙ্গাইগানো থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম মালয় মেইল এ খবর দিয়েছে।
মালয় মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স (জিওএফ) সপ্তম ব্যাটালিয়ন এবং পাহাং রাজ্য প্রয়োগকারী ইউনিটের যৌথ অভিযানে ওই ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জিওএফ সাউথইস্ট ব্রিগেডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খনির স্থানটি একজন স্থানীয় ব্যক্তি ২ বাংলাদেশি নাগরিকের সহায়তায় পরিচালনা করছিল। অভিযানে স্থানটির মালিক বৈধ খনির লাইসেন্স দেখাতে পারেননি এবং ২ বিদেশির কাছেও বৈধ পরিচয়পত্র ছিল না। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বয়স ৪০ থেকে ৫০ বছর।
কর্তৃপক্ষ প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি জব্দ করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।