
বিডিজেন ডেস্ক

গ্রিসে সড়ক দুর্ঘটনায় জুয়েল মিয়া (৩১) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। মানলোদা-পাতরা সড়কে প্রাইভেটকারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
গত ৪ নভেম্বর এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় জুয়েল মিয়ার চেহারা বিকৃত হওয়ায় এতদিন তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল। বুধবার (১৩ নভেম্বর) পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
জুয়েল মিয়া কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার আলগী গ্রামের সুরুজ মিয়া ছেলে। তার দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি ১৫ বছর ধরে গ্রিসে বসবাস করছিলেন।
এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান, দুর্ঘটনায় জুয়েল মিয়ার চেহারা বিকৃত হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ বাংলাদেশ পাঠানো হবে।

গ্রিসে সড়ক দুর্ঘটনায় জুয়েল মিয়া (৩১) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। মানলোদা-পাতরা সড়কে প্রাইভেটকারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
গত ৪ নভেম্বর এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় জুয়েল মিয়ার চেহারা বিকৃত হওয়ায় এতদিন তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল। বুধবার (১৩ নভেম্বর) পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটিতে নিয়োজিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
জুয়েল মিয়া কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার আলগী গ্রামের সুরুজ মিয়া ছেলে। তার দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি ১৫ বছর ধরে গ্রিসে বসবাস করছিলেন।
এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান, দুর্ঘটনায় জুয়েল মিয়ার চেহারা বিকৃত হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ বাংলাদেশ পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।