
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে অ্যাসাইলাম আবেদন করেছেন এমন অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি অ্যাসাইলাম প্রার্থীর আবেদন মঞ্জুর করবে তাঁর সরকার।
টোরি সরকারের রুয়ান্ডা স্কিম বাতিল করার পর আগামী বছর অ্যাসাইলাম আবেদন করা অবৈধ অভিবাসীর আবেদন মঞ্জুর করবেন।
তবে এই তালিকায় রয়েছেন যারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ইতিমধ্যে ব্রিটেনে ঢুকেছেন।
আবেদনকারীদের অধিকাংশ ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে ঢুকে অ্যাসাইলাম আবেদন করেছেন। এরকম প্রায় ৩০ হাজার অভিবাসীকে প্রতিদিন ৩ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।
হোম অফিস সূত্র বলছে টোরি সরকারের অধীনে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল আশ্রয় দাবি প্রক্রিয়া। যার ফলে হোম অফিসের বাজেটের আশ্রয় ব্যাকলগ ৫ বিলিয়ন পাউন্ড হয়েছে। বর্তমানে খরচ কমাতে ও নমনীয়তা তৈরি করতে এবং করদাতাদের জন্য অর্থের মূল্য প্রদানের জন্য হোম অফিস নিয়মিত পর্যালোচনা করছে।
শরণার্থী কাউন্সিলের তথ্য বলছে, বর্তমানে আনুমানিক প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৮২ জন অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ তাদের আশ্রয় দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে।
টোরি প্রধান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রবর্তিত আইন কর্তৃক অভিবাসীদের যুক্তরাজ্যে আশ্রয় থেকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। ওই আইন বলা ছিল ‘ব্রিটেনে যারা অবৈধভাবে এসেছে তাকে আটক করা উচিত এবং রুয়ান্ডার মতো নিরাপদ দেশে নির্বাসিত করা উচিত।' সুনাকের এই আইনের সমালোচনা করে স্টারমার এই সিদ্ধান্ত নেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ও টাইমস

যুক্তরাজ্যে অ্যাসাইলাম আবেদন করেছেন এমন অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাজ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি অ্যাসাইলাম প্রার্থীর আবেদন মঞ্জুর করবে তাঁর সরকার।
টোরি সরকারের রুয়ান্ডা স্কিম বাতিল করার পর আগামী বছর অ্যাসাইলাম আবেদন করা অবৈধ অভিবাসীর আবেদন মঞ্জুর করবেন।
তবে এই তালিকায় রয়েছেন যারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ইতিমধ্যে ব্রিটেনে ঢুকেছেন।
আবেদনকারীদের অধিকাংশ ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে ঢুকে অ্যাসাইলাম আবেদন করেছেন। এরকম প্রায় ৩০ হাজার অভিবাসীকে প্রতিদিন ৩ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।
হোম অফিস সূত্র বলছে টোরি সরকারের অধীনে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল আশ্রয় দাবি প্রক্রিয়া। যার ফলে হোম অফিসের বাজেটের আশ্রয় ব্যাকলগ ৫ বিলিয়ন পাউন্ড হয়েছে। বর্তমানে খরচ কমাতে ও নমনীয়তা তৈরি করতে এবং করদাতাদের জন্য অর্থের মূল্য প্রদানের জন্য হোম অফিস নিয়মিত পর্যালোচনা করছে।
শরণার্থী কাউন্সিলের তথ্য বলছে, বর্তমানে আনুমানিক প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৮২ জন অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ তাদের আশ্রয় দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছে।
টোরি প্রধান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রবর্তিত আইন কর্তৃক অভিবাসীদের যুক্তরাজ্যে আশ্রয় থেকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। ওই আইন বলা ছিল ‘ব্রিটেনে যারা অবৈধভাবে এসেছে তাকে আটক করা উচিত এবং রুয়ান্ডার মতো নিরাপদ দেশে নির্বাসিত করা উচিত।' সুনাকের এই আইনের সমালোচনা করে স্টারমার এই সিদ্ধান্ত নেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ও টাইমস
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।