
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে গাড়িচাপায় মো. শাকিল মাঝি (২৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবক মারা গেছেন। শাকিল লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরের বাসিন্দা।
রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে দেশটির আভা খামিজ মোসাইদ শহরে তিনি মারা যান।
সোমবার সন্ধ্যায় রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বশির হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাকিল রায়পুরের দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের হাওলাদার স্টেশন এলাকার মাঝি বাড়ির কৃষক আলিম উদ্দিন মাঝির ছেলে। ৮ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
শাকিলের বড় ভাই মনির হোসেন জানান, প্রায় ৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ৬ মাস আগে শাকিলকে সৌদি আরব কাজের সন্ধানে পাঠানো হয়। সেখানে শাকিল পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতেন। গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়ালে গাড়ি নিচে চাপা পড়েন।
শাকিলের মরদেহ আভা শহরের সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রয়েছে। তার মরদেহ দেশে আনতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা চেয়েছেন শাকিলের বড় ভাই মনির হোসেন।

সৌদি আরবে গাড়িচাপায় মো. শাকিল মাঝি (২৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবক মারা গেছেন। শাকিল লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরের বাসিন্দা।
রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে দেশটির আভা খামিজ মোসাইদ শহরে তিনি মারা যান।
সোমবার সন্ধ্যায় রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বশির হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শাকিল রায়পুরের দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের হাওলাদার স্টেশন এলাকার মাঝি বাড়ির কৃষক আলিম উদ্দিন মাঝির ছেলে। ৮ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
শাকিলের বড় ভাই মনির হোসেন জানান, প্রায় ৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ৬ মাস আগে শাকিলকে সৌদি আরব কাজের সন্ধানে পাঠানো হয়। সেখানে শাকিল পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করতেন। গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় দাঁড়ালে গাড়ি নিচে চাপা পড়েন।
শাকিলের মরদেহ আভা শহরের সরকারি হাসপাতালের হিমঘরে রয়েছে। তার মরদেহ দেশে আনতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা চেয়েছেন শাকিলের বড় ভাই মনির হোসেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।