
বিডিজেন ডেস্ক

পবিত্র ওমরাহ পালনে মেনিনজাইটিস টিকা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা বাতিল করেছে সৌদি আরব। দেশটির জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, জিএসিএ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব বিমান সংস্থাকে পাঠিয়েছে।
এর আগে সৌদি সরকারের এক নির্দেশনায় বলেছিল, ১০ ফেব্রুয়ারির পর যারা ওমরাহ করতে আসবেন, তাদের অবশ্যই নেইসেরিয়া মেনিনজাইটিস টিকা নিতে হবে। সৌদিতে আসার অন্তত ১০ দিন আগে টিকাটি নিতে হবে এবং তিন বছর আগে যারা টিকা নিয়েছিলেন তাদেরও নতুন করে নিতে হবে। তবে নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে আগের সব নির্দেশনাই বাতিল হয়ে গেছে।
পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে এক মাসেরও কম সময় বাকি আছে। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমজানে সৌদিতে সবচেয়ে বেশি মানুষ ওমরাহ করতে যান।

পবিত্র ওমরাহ পালনে মেনিনজাইটিস টিকা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা বাতিল করেছে সৌদি আরব। দেশটির জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, জিএসিএ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব বিমান সংস্থাকে পাঠিয়েছে।
এর আগে সৌদি সরকারের এক নির্দেশনায় বলেছিল, ১০ ফেব্রুয়ারির পর যারা ওমরাহ করতে আসবেন, তাদের অবশ্যই নেইসেরিয়া মেনিনজাইটিস টিকা নিতে হবে। সৌদিতে আসার অন্তত ১০ দিন আগে টিকাটি নিতে হবে এবং তিন বছর আগে যারা টিকা নিয়েছিলেন তাদেরও নতুন করে নিতে হবে। তবে নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে আগের সব নির্দেশনাই বাতিল হয়ে গেছে।
পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে এক মাসেরও কম সময় বাকি আছে। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমজানে সৌদিতে সবচেয়ে বেশি মানুষ ওমরাহ করতে যান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।