
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের পরিবেশবান্ধব স্মার্ট শহর নিওম প্রকল্পের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে আইমান আল মুদাইফারের নাম ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গাল নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড জানায়, নাদমি আল নাসর ২০১৮ সাল থেকে নিওম প্রকল্পের সিইওর দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর পরিবর্তে এখন এ দায়িত্ব পালন করবেন আইমান আল মুদাইফার।
সৌদি আরবের নিওম শহরের মালিকানা থাকছে রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের কাছে। এই সংস্থাটিই এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে।
সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত নিওম দেশটির বিস্তৃত অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এ শহর তৈরিতে ব্যয় হচ্ছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। তবে শহরটির নির্মাণ উদ্যোগের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ তেলের দাম হ্রাস এবং ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০৩০, বিশ্বকাপ ২০৩৪-এর আয়োজনের জন্য অন্যখাতে বরাদ্দ দেওয়ায় সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড নিওমের জন্য অর্থ বরাদ্দে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
এরইমধ্যে সৌদির নিওম শহরের প্রথম রিসোর্ট সিন্দালাহর যাত্রা শুরু হয়েছে। সিন্দালাহ রিসোর্টটি হলো লোহিত সাগরে অবস্থিত একটি রিসোর্ট দ্বীপ। যেখানে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ ও হোটেলসহ নানা রকম সুবিধা।
আধুনিক শহর নিওম ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং মাত্র ২০০ মিটার চওড়া হবে। এতে কোনো গাড়ি থাকবে না। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির মাত্র ২.৪ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হবে।
নিওম ছাড়া আরও ১৩টি বেশ বড় আকারের নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। ট্রিলিয়ন ডলারের এসব প্রকল্পকে ‘গিগা প্রজেক্ট’ বলা হচ্ছে। এর আওতায় রাজধানী রিয়াদের উপকণ্ঠে একটি বিনোদন শহর এবং লোহিত সাগরের পাশে কয়েকটি বিলাসবহুল দ্বীপসহ বিভিন্ন পর্যটক ও বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

সৌদি আরবের পরিবেশবান্ধব স্মার্ট শহর নিওম প্রকল্পের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে আইমান আল মুদাইফারের নাম ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গাল নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড জানায়, নাদমি আল নাসর ২০১৮ সাল থেকে নিওম প্রকল্পের সিইওর দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর পরিবর্তে এখন এ দায়িত্ব পালন করবেন আইমান আল মুদাইফার।
সৌদি আরবের নিওম শহরের মালিকানা থাকছে রাষ্ট্রীয় সংস্থা পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের কাছে। এই সংস্থাটিই এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে।
সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত নিওম দেশটির বিস্তৃত অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এ শহর তৈরিতে ব্যয় হচ্ছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। তবে শহরটির নির্মাণ উদ্যোগের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ তেলের দাম হ্রাস এবং ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০৩০, বিশ্বকাপ ২০৩৪-এর আয়োজনের জন্য অন্যখাতে বরাদ্দ দেওয়ায় সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড নিওমের জন্য অর্থ বরাদ্দে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
এরইমধ্যে সৌদির নিওম শহরের প্রথম রিসোর্ট সিন্দালাহর যাত্রা শুরু হয়েছে। সিন্দালাহ রিসোর্টটি হলো লোহিত সাগরে অবস্থিত একটি রিসোর্ট দ্বীপ। যেখানে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ ও হোটেলসহ নানা রকম সুবিধা।
আধুনিক শহর নিওম ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং মাত্র ২০০ মিটার চওড়া হবে। এতে কোনো গাড়ি থাকবে না। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির মাত্র ২.৪ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হবে।
নিওম ছাড়া আরও ১৩টি বেশ বড় আকারের নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। ট্রিলিয়ন ডলারের এসব প্রকল্পকে ‘গিগা প্রজেক্ট’ বলা হচ্ছে। এর আওতায় রাজধানী রিয়াদের উপকণ্ঠে একটি বিনোদন শহর এবং লোহিত সাগরের পাশে কয়েকটি বিলাসবহুল দ্বীপসহ বিভিন্ন পর্যটক ও বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।