
বিডিজেন ডেস্ক

রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে গড়া সৌদি আরবের বাৎসরিক বিনোদন ও ক্রীড়া উৎসবই হলো রিয়াদ সিজন। এ উৎসবে এবার ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী সৌদি নাগরিক এবং প্রবাসীরা বিনামূল্যেই প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির (জিইএ) প্রধান তুর্কি আল আলশেখ এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে তিনি একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, এই বছরের প্রবীণ ব্যক্তিরা উৎসবের সমস্ত জায়গায় বিনামূল্যে প্রবেশাধিকার পাবেন। প্রবেশপত্রটি তাওয়াক্কালনা অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে এবারের রিয়াদ সিজন। গত এক সপ্তাহে এই উৎসবে প্রায় ২০ লাখ দর্শনার্থী এসেছেন।
এ বছর পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে রিয়াদ সিজন। এতে ১১টি স্পোর্টস ইভেন্ট ও ১০টি প্রদর্শনী চলছে।
সৌদি আরব তার তেল-নির্ভর অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে চাইছে। সেই সঙ্গে পর্যটকদেরকেও বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করতে চাইছে।
২০১৬ সালের মে মাসে জিইএ গঠন করে সৌদি সরকার। এই রাষ্ট্রীয় সংস্থা সৌদিতে বেশ কয়েকটি কনসার্ট, স্টেজ শো ও উৎসব স্পন্সর করেছে।

রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে গড়া সৌদি আরবের বাৎসরিক বিনোদন ও ক্রীড়া উৎসবই হলো রিয়াদ সিজন। এ উৎসবে এবার ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী সৌদি নাগরিক এবং প্রবাসীরা বিনামূল্যেই প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির (জিইএ) প্রধান তুর্কি আল আলশেখ এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে তিনি একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, এই বছরের প্রবীণ ব্যক্তিরা উৎসবের সমস্ত জায়গায় বিনামূল্যে প্রবেশাধিকার পাবেন। প্রবেশপত্রটি তাওয়াক্কালনা অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে এবারের রিয়াদ সিজন। গত এক সপ্তাহে এই উৎসবে প্রায় ২০ লাখ দর্শনার্থী এসেছেন।
এ বছর পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে রিয়াদ সিজন। এতে ১১টি স্পোর্টস ইভেন্ট ও ১০টি প্রদর্শনী চলছে।
সৌদি আরব তার তেল-নির্ভর অর্থনীতিতে বৈচিত্র্য আনতে চাইছে। সেই সঙ্গে পর্যটকদেরকেও বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করতে চাইছে।
২০১৬ সালের মে মাসে জিইএ গঠন করে সৌদি সরকার। এই রাষ্ট্রীয় সংস্থা সৌদিতে বেশ কয়েকটি কনসার্ট, স্টেজ শো ও উৎসব স্পন্সর করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।