
বিডিজেন ডেস্ক

২০২৫ সালের আইপিএলের মেগা নিলামের ভেন্যুর নাম ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। একই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছে মেগা নিলামের দিনক্ষণও। ২৪ ও ২৫ নভেম্বর সৌদি আরবের জেদ্দায় হবে ক্রিকেটার হাঁকডাকের সবচেয়ে বড় এ আয়োজন।
নিলামের জন্য নিবন্ধিত ১ হাজার ৫৮৪ ক্রিকেটারের মধ্যে ১ হাজার ১৬৫ জন ভারতীয়। ৪০৯ জন বিদেশি ক্রিকেটার নাম লিখিয়েছেন ১৬টি দেশ থেকে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের আছেন ১৩ জন। খেলোয়াড়দের নাম অবশ্য এখনো জানানো হয়নি।
নিলাম সামনে রেখে ধরে রাখা খেলোয়াড়ের তালিকা জমা দিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল বিসিসিআই। আইপিএলের ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে এবার ধরে রেখেছে ৪৬ জন খেলোয়াড়। নিলাম থেকে কেনা যাবে সর্বোচ্চ ২০৪ জন, এর মধ্যে বিদেশি কিনতে হবে ৭০ জন।
আইপিএলের মেগা নিলামে বিদেশি খেলোয়াড় (দেশ ও খেলোয়াড় সংখ্যা)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৯১
অস্ট্রেলিয়া ৭৬
ইংল্যান্ড ৫২
নিউজিল্যান্ড ৩৯
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৩
আফগানিস্তান ২৯
শ্রীলঙ্কা ২৯
বাংলাদেশ ১৩
নেদারল্যান্ডস ১২
যুক্তরাষ্ট্র ১০
আয়ারল্যান্ড ৯
জিম্বাবুয়ে ৮
কানাডা ৪
স্কটল্যান্ড ২
আরব আমিরাত ১
ইতালি ১
নিলামের জন্য বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় নাম নিবন্ধন করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে—৯১ জন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড থেকে যথাক্রমে ৭৬ ও ৫২ জন। আইসিসি সহযোগী দেশগুলো থেকে ৩০ জন খেলোয়াড় নাম জমা দিয়েছেন। সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে নেদারল্যান্ডস থেকে সর্বোচ্চ ১২ জন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০, কানাডার ৪, স্কটল্যান্ডের ২ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইতালির ১ জন করে থাকছেন।
সাধারণত প্রতি তিন বা চার বছর পরপর আইপিএলের মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এবার অবশ্য দুই বছর পরই হচ্ছে সেটি। বড় পরিসরের আগের চারটি (২০১১, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২) নিলাম ভারতেই হয়েছিল। তবে প্রথমবার সৌদি আরবে হতে চলায় বিসিসিআইয়ের খরচ অনেক বাড়বে।
তবে সৌদি আরবে আইপিএল নিলাম আয়োজন করার সবচেয়ে বড় কারণ ক্রিকেটের পেছনে দেশটির বড় অঙ্কের বিনিয়োগের পরিকল্পনা। বিসিসিআইয়েরও ইচ্ছা ছিল মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কর্মকাণ্ড আরও প্রসারিত করা এবং ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দেওয়া। তাই জেদ্দায় আইপিএলের মেগা নিলামে বিসিসিআইকে বাড়তি খরচ করতে হলেও ভবিষ্যতের জন্য তা ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০২৫ সালের আইপিএলের মেগা নিলামের ভেন্যুর নাম ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। একই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছে মেগা নিলামের দিনক্ষণও। ২৪ ও ২৫ নভেম্বর সৌদি আরবের জেদ্দায় হবে ক্রিকেটার হাঁকডাকের সবচেয়ে বড় এ আয়োজন।
নিলামের জন্য নিবন্ধিত ১ হাজার ৫৮৪ ক্রিকেটারের মধ্যে ১ হাজার ১৬৫ জন ভারতীয়। ৪০৯ জন বিদেশি ক্রিকেটার নাম লিখিয়েছেন ১৬টি দেশ থেকে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের আছেন ১৩ জন। খেলোয়াড়দের নাম অবশ্য এখনো জানানো হয়নি।
নিলাম সামনে রেখে ধরে রাখা খেলোয়াড়ের তালিকা জমা দিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল বিসিসিআই। আইপিএলের ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে এবার ধরে রেখেছে ৪৬ জন খেলোয়াড়। নিলাম থেকে কেনা যাবে সর্বোচ্চ ২০৪ জন, এর মধ্যে বিদেশি কিনতে হবে ৭০ জন।
আইপিএলের মেগা নিলামে বিদেশি খেলোয়াড় (দেশ ও খেলোয়াড় সংখ্যা)
দক্ষিণ আফ্রিকা ৯১
অস্ট্রেলিয়া ৭৬
ইংল্যান্ড ৫২
নিউজিল্যান্ড ৩৯
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৩
আফগানিস্তান ২৯
শ্রীলঙ্কা ২৯
বাংলাদেশ ১৩
নেদারল্যান্ডস ১২
যুক্তরাষ্ট্র ১০
আয়ারল্যান্ড ৯
জিম্বাবুয়ে ৮
কানাডা ৪
স্কটল্যান্ড ২
আরব আমিরাত ১
ইতালি ১
নিলামের জন্য বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় নাম নিবন্ধন করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে—৯১ জন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড থেকে যথাক্রমে ৭৬ ও ৫২ জন। আইসিসি সহযোগী দেশগুলো থেকে ৩০ জন খেলোয়াড় নাম জমা দিয়েছেন। সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে নেদারল্যান্ডস থেকে সর্বোচ্চ ১২ জন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০, কানাডার ৪, স্কটল্যান্ডের ২ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইতালির ১ জন করে থাকছেন।
সাধারণত প্রতি তিন বা চার বছর পরপর আইপিএলের মেগা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এবার অবশ্য দুই বছর পরই হচ্ছে সেটি। বড় পরিসরের আগের চারটি (২০১১, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২) নিলাম ভারতেই হয়েছিল। তবে প্রথমবার সৌদি আরবে হতে চলায় বিসিসিআইয়ের খরচ অনেক বাড়বে।
তবে সৌদি আরবে আইপিএল নিলাম আয়োজন করার সবচেয়ে বড় কারণ ক্রিকেটের পেছনে দেশটির বড় অঙ্কের বিনিয়োগের পরিকল্পনা। বিসিসিআইয়েরও ইচ্ছা ছিল মধ্যপ্রাচ্যে তাদের কর্মকাণ্ড আরও প্রসারিত করা এবং ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দেওয়া। তাই জেদ্দায় আইপিএলের মেগা নিলামে বিসিসিআইকে বাড়তি খরচ করতে হলেও ভবিষ্যতের জন্য তা ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।