
বিডিজেন ডেস্ক
পবিত্র মাহে রমজান মাস চলছে। পবিত্র এ মাসের প্রথম ১৫ দিনে সৌদি আরবের মদিনার মসজিদে নববীতে ১ কোটি ৪০ লাখ মুসল্লির আগমন ঘটেছে। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, রমজানের প্রথমার্ধ্বে মসজিদে নববীতে এক কোটি ৪০ লাখ মুসল্লি এসেছেন। এসময় ১২ লাখ ১৭ হাজার ১৪৩ জন মুসল্লি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, রমজানের প্রথমার্ধ্বে মসজিদে নববীতে ৪৫ লাখ ইফতার প্যাকেট বিতরণ করা হয়। সেইসঙ্গে ৩ হাজার ৬৫০ টন জমজমের পানি মুসল্লিরা পেয়েছেন ।
অতিরিক্ত সওয়াবের আশায় বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিমই ওমরাহ পালনের জন্য রমজান মাসকে বেছে নেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারের রমজান মাসে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন।
ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কায় মসজিদুল হারামে ওমরাহ পালন করার পরে, অনেকে মসজিদে নববীতে নামাজ পড়ার জন্য মদিনার দিকে রওনা হন এবং শহরের অন্যান্য জায়গায় যান।
পবিত্র মাহে রমজান মাস চলছে। পবিত্র এ মাসের প্রথম ১৫ দিনে সৌদি আরবের মদিনার মসজিদে নববীতে ১ কোটি ৪০ লাখ মুসল্লির আগমন ঘটেছে। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, রমজানের প্রথমার্ধ্বে মসজিদে নববীতে এক কোটি ৪০ লাখ মুসল্লি এসেছেন। এসময় ১২ লাখ ১৭ হাজার ১৪৩ জন মুসল্লি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, রমজানের প্রথমার্ধ্বে মসজিদে নববীতে ৪৫ লাখ ইফতার প্যাকেট বিতরণ করা হয়। সেইসঙ্গে ৩ হাজার ৬৫০ টন জমজমের পানি মুসল্লিরা পেয়েছেন ।
অতিরিক্ত সওয়াবের আশায় বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিমই ওমরাহ পালনের জন্য রমজান মাসকে বেছে নেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এবারের রমজান মাসে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ওমরাহ পালন করবেন।
ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কায় মসজিদুল হারামে ওমরাহ পালন করার পরে, অনেকে মসজিদে নববীতে নামাজ পড়ার জন্য মদিনার দিকে রওনা হন এবং শহরের অন্যান্য জায়গায় যান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।