
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতের আবু হালিফা এলাকায় আনোয়ার হোসাইন (৪১) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
রোববার (২৭ অক্টোবর) আমানকো কোম্পানির একটি ভবনের ছাদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
আনোয়ার হোসাইন যশোরের সদর উপজেলার কোতায়ালী থানার চাঁদাপাড়া গ্রামের মিকাইল মোল্লার ছেলে। নিহত আনোয়ার কুয়েতের আমানকো কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ছুরিকাঘাতে আহত ব্যক্তি মারা যান।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। হামলাকারী প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও পরে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়ে। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। অপরাধের পেছনের উদ্দেশ্য এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত জানার জন্য তদন্ত চলছে।
এ বিষয়ে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (শ্রম) আবুল হোসেন জানান, তিনি বাংলাদেশি নিহতের বিষয়ে জেনেছেন এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছেন। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে জানান তিনি।

কুয়েতের আবু হালিফা এলাকায় আনোয়ার হোসাইন (৪১) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
রোববার (২৭ অক্টোবর) আমানকো কোম্পানির একটি ভবনের ছাদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
আনোয়ার হোসাইন যশোরের সদর উপজেলার কোতায়ালী থানার চাঁদাপাড়া গ্রামের মিকাইল মোল্লার ছেলে। নিহত আনোয়ার কুয়েতের আমানকো কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ছুরিকাঘাতে আহত ব্যক্তি মারা যান।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। হামলাকারী প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও পরে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের হাতে ধরা পড়ে। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। অপরাধের পেছনের উদ্দেশ্য এবং ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত জানার জন্য তদন্ত চলছে।
এ বিষয়ে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (শ্রম) আবুল হোসেন জানান, তিনি বাংলাদেশি নিহতের বিষয়ে জেনেছেন এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছেন। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।