
বিডিজেন ডেস্ক

গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা শহরের মসজিদে নববীতে ৫৬ লাখ মুসল্লির আগমন ঘটেছে। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ বলছে, গত সাত দিনে মুসল্লিদের মধ্যে ৩৫০ টন জমজমের পানি ও ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮২ প্যাকেট ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। ভিড়-ব্যবস্থাপনা প্রটোকল মেনে মুসল্লিদের মহানবী (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করতে হচ্ছে। সেখানে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করা আছে।
সৌদি সরকার জানায়, যারা রওজা শরীফে আসতে চান তাদের অবশ্যই আগে থেকে নিবন্ধন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসতে হবে। এতে করে তারা সুশৃঙ্খলভাবে হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করতে পারবেন।
মসজিদে নববী মহানবী (সা.)-এর মসজিদ, যেখানে তিনি নিজ হাতে ইবাদতের স্থান তৈরি করেছিলেন। এ মসজিদে তার রওজা মোবারকও অবস্থিত, যা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের জন্য গভীর আবেগের স্থান।
ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কায় মসজিদুল হারামে ওমরাহ পালন করার পরে, অনেকে মসজিদে নববীতে নামাজ পড়ার জন্য মদিনার দিকে রওনা হন এবং শহরের অন্যান্য জায়গায় যান।

গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা শহরের মসজিদে নববীতে ৫৬ লাখ মুসল্লির আগমন ঘটেছে। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ বলছে, গত সাত দিনে মুসল্লিদের মধ্যে ৩৫০ টন জমজমের পানি ও ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৮২ প্যাকেট ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। ভিড়-ব্যবস্থাপনা প্রটোকল মেনে মুসল্লিদের মহানবী (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করতে হচ্ছে। সেখানে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ করা আছে।
সৌদি সরকার জানায়, যারা রওজা শরীফে আসতে চান তাদের অবশ্যই আগে থেকে নিবন্ধন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসতে হবে। এতে করে তারা সুশৃঙ্খলভাবে হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর রওজা জিয়ারত করতে পারবেন।
মসজিদে নববী মহানবী (সা.)-এর মসজিদ, যেখানে তিনি নিজ হাতে ইবাদতের স্থান তৈরি করেছিলেন। এ মসজিদে তার রওজা মোবারকও অবস্থিত, যা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের জন্য গভীর আবেগের স্থান।
ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কায় মসজিদুল হারামে ওমরাহ পালন করার পরে, অনেকে মসজিদে নববীতে নামাজ পড়ার জন্য মদিনার দিকে রওনা হন এবং শহরের অন্যান্য জায়গায় যান।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।