
লস অ্যাঞ্জেলেস সংবাদদাতা

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেসে নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) লস অ্যাঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশ অধ্যুষিত এলাকার দেশি রেস্টুরেন্টের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বৃহত্তর নোয়াখালী ছাড়াও বিভিন্ন জেলার মানুষ উপস্থিত থেকে এ দাবিকে স্বতস্ফুর্তভাবে সমর্থন করেন।

মানববন্ধনে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলাকে নিয়ে নোয়াখালীকে বিভাগ করার দাবি তোলা হয়। দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে বেলা ১টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন চলে।

বক্তারা নোয়াখালীকে বিভাগ করার যুক্তি তুলে ধরেন। অনেকে নোয়াখালীর ঐতিহ্য তুলে ধরেন। সবার পরনে ছিল নোয়াখালী বিভাগ চাই লেখা সাদা টি শার্ট। আশপাশের অনেকেই তাদের এ দাবি সমর্থন করে সমাবেশে উপস্থিত থাকেন। নারী-পুরুষ শিশুসহ নির্বিশেষে সকলেই নানা রকম ফেস্টুন ব্যানার নিয়ে বিভাগ দাবির সমাবেশে আসেন।

অনুষ্ঠান শেষে দুপুরের খাবারের মাধ্যমে সবাইয়ে আপ্যায়ন করা হয়। আয়োজকেরা জানান, আপ্যায়ন করার রেওয়াজ নোয়াখালীর রীতি।

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেসে নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) লস অ্যাঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশ অধ্যুষিত এলাকার দেশি রেস্টুরেন্টের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বৃহত্তর নোয়াখালী ছাড়াও বিভিন্ন জেলার মানুষ উপস্থিত থেকে এ দাবিকে স্বতস্ফুর্তভাবে সমর্থন করেন।

মানববন্ধনে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলাকে নিয়ে নোয়াখালীকে বিভাগ করার দাবি তোলা হয়। দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে বেলা ১টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন চলে।

বক্তারা নোয়াখালীকে বিভাগ করার যুক্তি তুলে ধরেন। অনেকে নোয়াখালীর ঐতিহ্য তুলে ধরেন। সবার পরনে ছিল নোয়াখালী বিভাগ চাই লেখা সাদা টি শার্ট। আশপাশের অনেকেই তাদের এ দাবি সমর্থন করে সমাবেশে উপস্থিত থাকেন। নারী-পুরুষ শিশুসহ নির্বিশেষে সকলেই নানা রকম ফেস্টুন ব্যানার নিয়ে বিভাগ দাবির সমাবেশে আসেন।

অনুষ্ঠান শেষে দুপুরের খাবারের মাধ্যমে সবাইয়ে আপ্যায়ন করা হয়। আয়োজকেরা জানান, আপ্যায়ন করার রেওয়াজ নোয়াখালীর রীতি।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।