
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবারও দু’মাসের জন্য বাড়ানো হলো অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি) নতুন এ ঘোষণা দেয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩১ অক্টোবর। সাধারণ ক্ষমা চলাকালীন বৈধ হওয়ার সুযোগ পান প্রবাসীরা। সেইসঙ্গে তারা জেল-জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরারও সুযোগ পান।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষমা প্রার্থীদের অনেকে নানা প্রতিবন্ধকতায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বৈধ হতে না পারায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইসিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সুহেল সাইদ আল খাইলি বলেন, আইসিপি টিমের গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ আরব আমিরাত সরকারের মানবিক দিককে প্রতিফলিত করে। অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার এটাই শেষ সুযোগ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবারও দু’মাসের জন্য বাড়ানো হলো অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি) নতুন এ ঘোষণা দেয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকবে। এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩১ অক্টোবর। সাধারণ ক্ষমা চলাকালীন বৈধ হওয়ার সুযোগ পান প্রবাসীরা। সেইসঙ্গে তারা জেল-জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরারও সুযোগ পান।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষমা প্রার্থীদের অনেকে নানা প্রতিবন্ধকতায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বৈধ হতে না পারায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইসিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সুহেল সাইদ আল খাইলি বলেন, আইসিপি টিমের গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ আরব আমিরাত সরকারের মানবিক দিককে প্রতিফলিত করে। অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার এটাই শেষ সুযোগ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।