
বিডিজেন ডেস্ক

২০২৪ সালে সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা শহর সফর করেছেন ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মক্কার পরে মুসলিমদের দ্বিতীয় পবিত্র শহর মদিনা। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (স.)-এর রওজা মোবারক এই শহরটিতেই অবস্থিত।
সৌদির বন্দর নগরী জেদ্দায় এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে মদিনা অঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ফাহাদ আল বালেহশি বলেন, ২০১৯ সালে মদিনা সফরে এসে একজন ব্যক্তি গড়ে ২ দিন থাকতেন। এখন তা বেড়ে ১০ দিনে দাঁড়িয়েছে।
সৌদির এই কর্মকর্তা জানান, মদিনা শহরের ২০০ টিরও বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান সংস্কারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরমধ্যে ১০০টির সংস্কার চলছে। মদিনা শহরের ৫০ শতাংশ প্রকল্পের অর্থায়নই করে সৌদি সরকার।
সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রায় এক কোটি ৪১ লাখ মানুষ মদিনা সফর করেন।
কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারের নানা ধরনের প্রকল্প, উদ্যোগ এবং উন্নত পরিষেবার জন্যই মদিনা শহরে মানুষের সফর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০২৪ সালে সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা শহর সফর করেছেন ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মক্কার পরে মুসলিমদের দ্বিতীয় পবিত্র শহর মদিনা। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (স.)-এর রওজা মোবারক এই শহরটিতেই অবস্থিত।
সৌদির বন্দর নগরী জেদ্দায় এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে মদিনা অঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা ফাহাদ আল বালেহশি বলেন, ২০১৯ সালে মদিনা সফরে এসে একজন ব্যক্তি গড়ে ২ দিন থাকতেন। এখন তা বেড়ে ১০ দিনে দাঁড়িয়েছে।
সৌদির এই কর্মকর্তা জানান, মদিনা শহরের ২০০ টিরও বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক স্থান সংস্কারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরমধ্যে ১০০টির সংস্কার চলছে। মদিনা শহরের ৫০ শতাংশ প্রকল্পের অর্থায়নই করে সৌদি সরকার।
সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রায় এক কোটি ৪১ লাখ মানুষ মদিনা সফর করেন।
কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারের নানা ধরনের প্রকল্প, উদ্যোগ এবং উন্নত পরিষেবার জন্যই মদিনা শহরে মানুষের সফর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।