
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ মাত্র ৩৫ মিনিটে পরিষ্কার করেছেন পরিচ্ছন্নকর্মীরা। গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববীর দেখভালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা সাড়ে তিন হাজার পুরুষ ও নারী কর্মীর একটি পরিচ্ছন্ন দল নিয়োগ করেছে। তাদেরকে ১২টি বিশেষায়িত ওয়াশিং মেশিন এবং ৬৭৯টি পরিষ্কারক মেশিন দেওয়া হয়েছে। পাশপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য গ্র্যান্ড মসজিদের ভেতরে এবং বাইরে তিন হাজারের বেশি পাত্র দেওয়া হয়েছে। এগুলো প্রতিদিন ৭০ টন বর্জ্য সংগ্রহ এবং অপসারণ করে, যা কখনো কখনো ১০০ টন পর্যন্তও বৃদ্ধি হয়।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, তারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করে হজযাত্রী ও মুসল্লিদের চলাফেরাকে প্রভাবিত না করেই ২৪ ঘন্টা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের লক্ষ্য আল্লাহর অতিথিদের সর্বোচ্চ যত্ন এবং তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার মাধ্যমে একটি বিশুদ্ধ ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা। যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্য ও আরামের সঙ্গে তাদের ইবাদত সম্পাদন করতে পারে।

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ মাত্র ৩৫ মিনিটে পরিষ্কার করেছেন পরিচ্ছন্নকর্মীরা। গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববীর দেখভালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা সাড়ে তিন হাজার পুরুষ ও নারী কর্মীর একটি পরিচ্ছন্ন দল নিয়োগ করেছে। তাদেরকে ১২টি বিশেষায়িত ওয়াশিং মেশিন এবং ৬৭৯টি পরিষ্কারক মেশিন দেওয়া হয়েছে। পাশপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য গ্র্যান্ড মসজিদের ভেতরে এবং বাইরে তিন হাজারের বেশি পাত্র দেওয়া হয়েছে। এগুলো প্রতিদিন ৭০ টন বর্জ্য সংগ্রহ এবং অপসারণ করে, যা কখনো কখনো ১০০ টন পর্যন্তও বৃদ্ধি হয়।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, তারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করে হজযাত্রী ও মুসল্লিদের চলাফেরাকে প্রভাবিত না করেই ২৪ ঘন্টা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের লক্ষ্য আল্লাহর অতিথিদের সর্বোচ্চ যত্ন এবং তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার মাধ্যমে একটি বিশুদ্ধ ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা। যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্য ও আরামের সঙ্গে তাদের ইবাদত সম্পাদন করতে পারে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।