
বিডিজেন ডেস্ক

পৃথিবীর সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প হিসেবে খ্যাত সৌদি আরবের নিওম শহরের প্রথম রিসোর্ট সিন্দালাহর যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ রোববার সৌদির এই মেগাসিটিতে প্রথম কোনো স্থাপনা চালু হলো।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সিন্দালাহ রিসোর্টটি হলো লোহিত সাগরে অবস্থিত একটি রিসোর্ট দ্বীপ। যেখানে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ ও হোটেলসহ নানা রকম সুবিধা। আগামী মঙ্গলবার সৌদির রাজধানী রিয়াদে শুরু হতে যাচ্ছে দেশটির বড় বার্ষিক বিনিয়োগ ইভেন্ট। এর আগেই এই রিসোর্টটি চালুর ঘোষণা দেওয়া হলো।
নিওম প্রকল্পের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাদমি আল-নাসর এক বিবৃতিতে বলেছেন, নিওমের সিন্দালাহ রিসোর্ট দেশের বিলাসবহুল পর্যটনখাতে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিওমে কী রয়েছে তার প্রথম ঝলক দেখা যাবে এই রিসোর্টে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সিন্দালাহ রিসোর্টটি ৮৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। ২০২৮ সালের মধ্যে এটি প্রতিদিন ২ হাজার ৪০০ জন অতিথি গ্রহণ করবে।
সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত নিওম দেশটির বিস্তৃত অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এ শহর তৈরিতে ব্যয় হচ্ছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। তবে শহরটির নির্মাণ উদ্যোগের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ তেলের দাম হ্রাস এবং ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০৩০, বিশ্বকাপ ২০৩৪-এর আয়োজনের জন্য অন্যখাতে বরাদ্দ দেওয়ায় সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) নিওমের জন্য অর্থ বরাদ্দে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
আধুনিক শহর নিওম ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং মাত্র ২০০ মিটার চওড়া হবে। এতে কোনো গাড়ি থাকবে না। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির মাত্র ২.৪ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হবে।
সৌদি ক্রাউনপ্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন–২০৩০–এর মূল কেন্দ্রে রয়েছে উচ্চাভিলাষী প্রকল্প নিওম।
নিওম ছাড়া আরও ১৩টি বেশ বড় আকারের নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। ট্রিলিয়ন ডলারের এসব প্রকল্পকে ‘গিগা প্রজেক্ট’ বলা হচ্ছে। এর আওতায় রাজধানী রিয়াদের উপকণ্ঠে আস্ত একটি বিনোদন শহর এবং লোহিত সাগরের পাশে কয়েকটি বিলাসবহুল দ্বীপসহ বিভিন্ন পর্যটক ও বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

পৃথিবীর সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প হিসেবে খ্যাত সৌদি আরবের নিওম শহরের প্রথম রিসোর্ট সিন্দালাহর যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ রোববার সৌদির এই মেগাসিটিতে প্রথম কোনো স্থাপনা চালু হলো।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সিন্দালাহ রিসোর্টটি হলো লোহিত সাগরে অবস্থিত একটি রিসোর্ট দ্বীপ। যেখানে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বিলাসবহুল রেস্তোরাঁ ও হোটেলসহ নানা রকম সুবিধা। আগামী মঙ্গলবার সৌদির রাজধানী রিয়াদে শুরু হতে যাচ্ছে দেশটির বড় বার্ষিক বিনিয়োগ ইভেন্ট। এর আগেই এই রিসোর্টটি চালুর ঘোষণা দেওয়া হলো।
নিওম প্রকল্পের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাদমি আল-নাসর এক বিবৃতিতে বলেছেন, নিওমের সিন্দালাহ রিসোর্ট দেশের বিলাসবহুল পর্যটনখাতে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিওমে কী রয়েছে তার প্রথম ঝলক দেখা যাবে এই রিসোর্টে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সিন্দালাহ রিসোর্টটি ৮৪ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। ২০২৮ সালের মধ্যে এটি প্রতিদিন ২ হাজার ৪০০ জন অতিথি গ্রহণ করবে।
সৌদি আরবের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত নিওম দেশটির বিস্তৃত অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এ শহর তৈরিতে ব্যয় হচ্ছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। তবে শহরটির নির্মাণ উদ্যোগের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ তেলের দাম হ্রাস এবং ওয়ার্ল্ড এক্সপো ২০৩০, বিশ্বকাপ ২০৩৪-এর আয়োজনের জন্য অন্যখাতে বরাদ্দ দেওয়ায় সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) নিওমের জন্য অর্থ বরাদ্দে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।
আধুনিক শহর নিওম ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং মাত্র ২০০ মিটার চওড়া হবে। এতে কোনো গাড়ি থাকবে না। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির মাত্র ২.৪ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হবে।
সৌদি ক্রাউনপ্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ভিশন–২০৩০–এর মূল কেন্দ্রে রয়েছে উচ্চাভিলাষী প্রকল্প নিওম।
নিওম ছাড়া আরও ১৩টি বেশ বড় আকারের নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। ট্রিলিয়ন ডলারের এসব প্রকল্পকে ‘গিগা প্রজেক্ট’ বলা হচ্ছে। এর আওতায় রাজধানী রিয়াদের উপকণ্ঠে আস্ত একটি বিনোদন শহর এবং লোহিত সাগরের পাশে কয়েকটি বিলাসবহুল দ্বীপসহ বিভিন্ন পর্যটক ও বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।