
বিডিজেন ডেস্ক

বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দেশটির বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশগ্রহণে প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) নায়লা আল-নাশমি ইভেন্টস হলে এই ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।
এই ক্যাম্পের মাধ্যমে দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের সকল ধরনের কনস্যুলার সেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাহরাইনের আইন-কানুন, ট্রাফিক আইন, ভিসা সংশোধনের পদ্ধতি, শ্রমিকদের অধিকার এবং সাধারণ স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়। ক্যাম্পে দূতাবাস টিম ছাড়াও বাহরাইনের ট্রাফিক বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার কনস্যুলার ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করেন। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বিদেশি অতিথি এবং বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশে দূতাবাস কর্তৃক এ ধরনের সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বাহরাইনের সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে সেমিনারে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ এবং বাংলাদেশিদের উদ্দেশে সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদানের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দূতাবাসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মকর্তারা এই সেমিনার ও কনস্যুলার ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, সচেতনতামূলক সেমিনার ছাড়াও দূতাবাস মোবাইল কনস্যুলার সার্ভিস ক্যাম্পের আয়োজন করে, যাতে বাহরাইনের রিফা, আলী এবং আশেপাশের এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাসপোর্ট সেবা, জন্ম নিবন্ধন, আইনি সহায়তা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধনসেবা, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শসহ বিভিন্ন কনস্যুলার এবং শ্রম কল্যাণ সেবা খুব সহজে গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা এই সেমিনারে অংশ নেন এবং ক্যাম্পে দেওয়া বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেন। আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনসুল্যার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তি

বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দেশটির বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অংশগ্রহণে প্রবাসীদের জন্য একটি বিশেষ সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) নায়লা আল-নাশমি ইভেন্টস হলে এই ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।
এই ক্যাম্পের মাধ্যমে দূতাবাস প্রবাসী বাংলাদেশিদের সকল ধরনের কনস্যুলার সেবা প্রদানের পাশাপাশি তাদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাহরাইনের আইন-কানুন, ট্রাফিক আইন, ভিসা সংশোধনের পদ্ধতি, শ্রমিকদের অধিকার এবং সাধারণ স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়। ক্যাম্পে দূতাবাস টিম ছাড়াও বাহরাইনের ট্রাফিক বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার কনস্যুলার ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করেন। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বিদেশি অতিথি এবং বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশে দূতাবাস কর্তৃক এ ধরনের সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বাহরাইনের সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে সেমিনারে উপস্থিত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ এবং বাংলাদেশিদের উদ্দেশে সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদানের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দূতাবাসের অন্য কর্মকর্তা ও কর্মকর্তারা এই সেমিনার ও কনস্যুলার ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, সচেতনতামূলক সেমিনার ছাড়াও দূতাবাস মোবাইল কনস্যুলার সার্ভিস ক্যাম্পের আয়োজন করে, যাতে বাহরাইনের রিফা, আলী এবং আশেপাশের এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাসপোর্ট সেবা, জন্ম নিবন্ধন, আইনি সহায়তা, ওয়েজ আর্নার্স সদস্যপদ নিবন্ধনসেবা, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শসহ বিভিন্ন কনস্যুলার এবং শ্রম কল্যাণ সেবা খুব সহজে গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা এই সেমিনারে অংশ নেন এবং ক্যাম্পে দেওয়া বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করেন। আগত প্রবাসীরা দূতাবাসের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এ ধরনের প্রবাসবান্ধব কনসুল্যার সেবা বাহরাইনের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তি
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।