
প্রতিবেদক, বিডিজেন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (৬ জুন) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমে এ মন্তব্য করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আগে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। জনমতের ভিত্তিতে মৌলিক সংস্কারগুলো সম্পন্ন করে জুলাই সনদ প্রনয়ণ করলে নির্বাচনে এনসিপির কোনো দ্বিমত নেই।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কয়েকটি দলের চাপ প্রয়োগের কারণেই প্রধান উপদেষ্টা এই সম্ভাব্য রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন। সব ধরনের নির্বাচনী আশঙ্কা বা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য একটা সম্ভাব্য রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (৬ জুন) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমে এ মন্তব্য করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আগে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। জনমতের ভিত্তিতে মৌলিক সংস্কারগুলো সম্পন্ন করে জুলাই সনদ প্রনয়ণ করলে নির্বাচনে এনসিপির কোনো দ্বিমত নেই।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কয়েকটি দলের চাপ প্রয়োগের কারণেই প্রধান উপদেষ্টা এই সম্ভাব্য রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন। সব ধরনের নির্বাচনী আশঙ্কা বা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য একটা সম্ভাব্য রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।