
বিডিজেন ডেস্ক

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা ও লেবাননে নির্বিচার ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদের উচিত হবে ১৯৫০ সালে পাস হওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী ইসরায়েলের ওপর বলপ্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া।
আঙ্কারায় ৩০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
জাতিসংঘে ১৯৫০ সালে পাস হওয়া ‘ইউনাইটিং ফর পিস রেজল্যুশন’–এ বলা আছে, নিজেদের মধ্যে মতভেদের কারণে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যদি বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এগিয়ে আসতে পারবে।
এ প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, এখন সাধারণ পরিষদের উচিত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয় অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে মুসলিম দেশগুলোর ব্যর্থতায় ‘দুঃখ পেয়েছেন’ বলেও মন্তব্য করেন রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতিতে যেতে বাধ্য করতে মুসলিম দেশগুলোর প্রতি অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: ডয়চে ভেলে

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা ও লেবাননে নির্বিচার ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ব্যর্থ হলে সাধারণ পরিষদের উচিত হবে ১৯৫০ সালে পাস হওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী ইসরায়েলের ওপর বলপ্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া।
আঙ্কারায় ৩০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
জাতিসংঘে ১৯৫০ সালে পাস হওয়া ‘ইউনাইটিং ফর পিস রেজল্যুশন’–এ বলা আছে, নিজেদের মধ্যে মতভেদের কারণে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য যদি বিশ্বশান্তি বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়, তবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এগিয়ে আসতে পারবে।
এ প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেন, এখন সাধারণ পরিষদের উচিত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের পরামর্শ দেওয়া।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয় অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে মুসলিম দেশগুলোর ব্যর্থতায় ‘দুঃখ পেয়েছেন’ বলেও মন্তব্য করেন রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতিতে যেতে বাধ্য করতে মুসলিম দেশগুলোর প্রতি অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: ডয়চে ভেলে
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।