

বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলের হামলার কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (৩ অক্টোবর) লেবাননের মন্ত্রিপরিষদের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ইউনিটের এক প্রতিবেদনের এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ বাস্তুচ্যুত মানুষ পরিবারসহ নিজ বাড়ি ছেড়ে অন্য এলাকায় স্থানান্তরিত হয়েছে। অনেকে নতুন জায়গায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। অনেকে সরকারি-বেসরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, লেবানন থেকে হাজার হাজার মানুষ বিমানে অন্যত্র চলে গেছে, বিশেষ করে সিরিয়ায়।
২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিসাবে দেখা যায়, ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৩ জন সিরীয় এবং ৭৬ হাজার ২৬৯ জন লেবাননি নাগরিক সিরিয়াতে প্রবেশ করেছে।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলার কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ দাঁড়িয়েছে।
বুধবার (৩ অক্টোবর) লেবাননের মন্ত্রিপরিষদের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ইউনিটের এক প্রতিবেদনের এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ বাস্তুচ্যুত মানুষ পরিবারসহ নিজ বাড়ি ছেড়ে অন্য এলাকায় স্থানান্তরিত হয়েছে। অনেকে নতুন জায়গায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। অনেকে সরকারি-বেসরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, লেবানন থেকে হাজার হাজার মানুষ বিমানে অন্যত্র চলে গেছে, বিশেষ করে সিরিয়ায়।
২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিসাবে দেখা যায়, ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৩ জন সিরীয় এবং ৭৬ হাজার ২৬৯ জন লেবাননি নাগরিক সিরিয়াতে প্রবেশ করেছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।