
বিডিজেন ডেস্ক

ইরান থেকে উড়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র—ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এমন সতর্কতা জারির পরপর তেল আবিব ও পশ্চিম জেরুজালেমে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
খবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তাদের বিমানবাহিনী হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজন বুঝে আক্রমণ প্রতিহত করছে এবং আক্রমণ চালাচ্ছে।
ওই বিবৃতি প্রকাশের প্রায় ২০ মিনিট পর সেনাবাহিনী আরেকটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলি পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে, সেসব এলাকায় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি ও উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
তেল আবিব এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা পড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
দেশটির অগ্নিনির্বাপণ বাহিনী বলেছে, তেল আবিবের কাছের দান জেলায় প্রাথমিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তারা বেশ কয়েকটি ফোন পান। ফোনে গুশ দান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের কথা বলা হয়। অগ্নিনির্বাপণ বাহিনী ঘটনাস্থলের দিকে গেছে।
গত রাতে ইরান ১০টির কম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, দাবি ইসরায়েলের
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, সোমবার (১৬ জুন) রাতে ইরান থেকে ১০টির কম ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তিন দফায় ছোড়া হয়। লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা। সময় ছিল দিবাগত রাত ১২টা, সাড়ে ৩টা ও ভোররাত সাড়ে ৪টা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত রাতে ইসরায়েলের শহুরে এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের এই দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আগের তিন রাতে ইরান বহু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে ছুড়েছে। এর মধ্যে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানে। ইসরায়েলে ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে। এখন ইসরায়েল দাবি করছে, গত রাতে ইরানের হামলা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় কম ছিল।

ইরান থেকে উড়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র—ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এমন সতর্কতা জারির পরপর তেল আবিব ও পশ্চিম জেরুজালেমে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
খবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তাদের বিমানবাহিনী হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজন বুঝে আক্রমণ প্রতিহত করছে এবং আক্রমণ চালাচ্ছে।
ওই বিবৃতি প্রকাশের প্রায় ২০ মিনিট পর সেনাবাহিনী আরেকটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইসরায়েলি পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে, সেসব এলাকায় উদ্ধারকারী দল তল্লাশি ও উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
তেল আবিব এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলা পড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
দেশটির অগ্নিনির্বাপণ বাহিনী বলেছে, তেল আবিবের কাছের দান জেলায় প্রাথমিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তারা বেশ কয়েকটি ফোন পান। ফোনে গুশ দান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের কথা বলা হয়। অগ্নিনির্বাপণ বাহিনী ঘটনাস্থলের দিকে গেছে।
গত রাতে ইরান ১০টির কম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, দাবি ইসরায়েলের
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, সোমবার (১৬ জুন) রাতে ইরান থেকে ১০টির কম ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তিন দফায় ছোড়া হয়। লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরায়েলের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা। সময় ছিল দিবাগত রাত ১২টা, সাড়ে ৩টা ও ভোররাত সাড়ে ৪টা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত রাতে ইসরায়েলের শহুরে এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের এই দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আগের তিন রাতে ইরান বহু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে ছুড়েছে। এর মধ্যে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানে। ইসরায়েলে ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে। এখন ইসরায়েল দাবি করছে, গত রাতে ইরানের হামলা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় কম ছিল।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।