
বিডিজেন ডেস্ক

ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হলেও, আতশবাজির রঙিন উৎসব আর নতুন শুরুর উদ্দীপনায় বিশ্বজুড়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালকে। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে এশিয়ার জনপদ সবখানেই ছিল উৎসবের আমেজ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বিশ্বের প্রথম অঞ্চল হিসেবে ২০২৬-কে স্বাগত জানায় প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির কিরিটিমাতি দ্বীপ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই দ্বীপটিই সবার আগে নতুন বছরের আলো স্পর্শ করে। এর পরপরই নিউজিল্যান্ডের চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা এবং সামোয়ায় শুরু হয় বর্ষবরণ। অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ারে মধ্যরাতের আতশবাজি ছিল দেখার মতো। একইভাবে উৎসবের জোয়ারে ভাসে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও নাউরু।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবারে প্রতিবারের মতো এবারও ছিল বর্ণাঢ্য আতশবাজির প্রদর্শনী। এরপর একে একে নতুন বছরে পা রাখে জাপান ও দুই কোরিয়া। জাপানের মন্দিরগুলোতে ঐতিহ্যবাহী ঘণ্টা বাজিয়ে এবং ধর্মীয় আচারের মাধ্যমে শান্তিময় বছরের প্রার্থনা করা হয়। এরপর চীন, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে শুরু হয় জমকালো আয়োজন।
পর্যায়ক্রমে মঙ্গোলিয়া, তাইওয়ান, হংকং, সিঙ্গাপুর ও রাশিয়ার ইরকুটস্ক অঞ্চলে নতুন বছরের সূচনা হয়। সবশেষে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানেও অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ২০২৬-কে স্বাগত জানানো হয়েছে। বড় শহরগুলোতে ড্রোন শো, বিশেষ আলোকসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষ নতুন স্বপ্ন নিয়ে বছরের প্রথম প্রহর পার করেছে।
সব মিলিয়ে, সময়ের পার্থক্য থাকলেও সম্প্রীতি আর আনন্দের আহ্বানে নতুন একটি বছরকে আলিঙ্গন করে নিল সারা বিশ্ব।

ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হলেও, আতশবাজির রঙিন উৎসব আর নতুন শুরুর উদ্দীপনায় বিশ্বজুড়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালকে। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে এশিয়ার জনপদ সবখানেই ছিল উৎসবের আমেজ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, বিশ্বের প্রথম অঞ্চল হিসেবে ২০২৬-কে স্বাগত জানায় প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতির কিরিটিমাতি দ্বীপ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই দ্বীপটিই সবার আগে নতুন বছরের আলো স্পর্শ করে। এর পরপরই নিউজিল্যান্ডের চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা এবং সামোয়ায় শুরু হয় বর্ষবরণ। অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ারে মধ্যরাতের আতশবাজি ছিল দেখার মতো। একইভাবে উৎসবের জোয়ারে ভাসে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও নাউরু।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবারে প্রতিবারের মতো এবারও ছিল বর্ণাঢ্য আতশবাজির প্রদর্শনী। এরপর একে একে নতুন বছরে পা রাখে জাপান ও দুই কোরিয়া। জাপানের মন্দিরগুলোতে ঐতিহ্যবাহী ঘণ্টা বাজিয়ে এবং ধর্মীয় আচারের মাধ্যমে শান্তিময় বছরের প্রার্থনা করা হয়। এরপর চীন, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে শুরু হয় জমকালো আয়োজন।
পর্যায়ক্রমে মঙ্গোলিয়া, তাইওয়ান, হংকং, সিঙ্গাপুর ও রাশিয়ার ইরকুটস্ক অঞ্চলে নতুন বছরের সূচনা হয়। সবশেষে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানেও অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ২০২৬-কে স্বাগত জানানো হয়েছে। বড় শহরগুলোতে ড্রোন শো, বিশেষ আলোকসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষ নতুন স্বপ্ন নিয়ে বছরের প্রথম প্রহর পার করেছে।
সব মিলিয়ে, সময়ের পার্থক্য থাকলেও সম্প্রীতি আর আনন্দের আহ্বানে নতুন একটি বছরকে আলিঙ্গন করে নিল সারা বিশ্ব।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।