
বিডিজেন ডেস্ক

নির্ধারিত সময়ের আগে সংস্কার শেষ করে পুনরায় চালু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম বিমানবন্দর আবুধাবির জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উত্তর রানওয়ে।
সর্বশেষ এ প্রকল্পে বিমানবন্দরের উত্তর রানওয়ে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। রানওয়ে শক্তিশালী করার কাজে ঢালাইয়ে ব্যবহৃত হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার টন অ্যাসফল্ট। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উন্নয়নের তথ্য জানিয়েছে বিমানবন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান আবুধাবি এয়ারপোর্টস।
নতুন প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে গ্রাউন্ড ভিজিবিলিটি মনিটরিং সিস্টেম ও ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম। এ ছাড়া, ১২ হাজারের বেশি হ্যালোজেন এয়ারফিল্ড লাইটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে এলইডি প্রযুক্তি।
কর্তৃপক্ষ বলছে, নিরাপত্তা, নিখুঁত পরিচালনা ও টেকসই পরিবেশগত উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই প্রযুক্তিগত উন্নয়ন।
আবুধাবি এয়ারপোর্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এলেনা সর্লিনি এ প্রকল্পের সাফল্যকে সূক্ষ্ম পরিকল্পনা ও শক্তিশালী অংশীদারত্বের ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আকাশপথে চলাচলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং বিমানবন্দরের কার্যকারিতা বাড়াতে এ প্রকল্প সহায়তা করবে।’ ইউএইর বিমানবন্দরগুলো ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় যাত্রী চলাচলে ১৪ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি-জুনে জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১ কোটি ৩৭ লাখেরও বেশি যাত্রীকে স্বাগত জানিয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, যাত্রী সংখ্যার এ বৃদ্ধি প্রধান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে আবুধাবির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেছে। পাশাপাশি আরব আমিরাতের অর্থনীতিতে পর্যটন, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

নির্ধারিত সময়ের আগে সংস্কার শেষ করে পুনরায় চালু হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম বিমানবন্দর আবুধাবির জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উত্তর রানওয়ে।
সর্বশেষ এ প্রকল্পে বিমানবন্দরের উত্তর রানওয়ে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। রানওয়ে শক্তিশালী করার কাজে ঢালাইয়ে ব্যবহৃত হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার টন অ্যাসফল্ট। পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উন্নয়নের তথ্য জানিয়েছে বিমানবন্দর পরিচালনা প্রতিষ্ঠান আবুধাবি এয়ারপোর্টস।
নতুন প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে গ্রাউন্ড ভিজিবিলিটি মনিটরিং সিস্টেম ও ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম। এ ছাড়া, ১২ হাজারের বেশি হ্যালোজেন এয়ারফিল্ড লাইটের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে এলইডি প্রযুক্তি।
কর্তৃপক্ষ বলছে, নিরাপত্তা, নিখুঁত পরিচালনা ও টেকসই পরিবেশগত উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই প্রযুক্তিগত উন্নয়ন।
আবুধাবি এয়ারপোর্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এলেনা সর্লিনি এ প্রকল্পের সাফল্যকে সূক্ষ্ম পরিকল্পনা ও শক্তিশালী অংশীদারত্বের ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আকাশপথে চলাচলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং বিমানবন্দরের কার্যকারিতা বাড়াতে এ প্রকল্প সহায়তা করবে।’ ইউএইর বিমানবন্দরগুলো ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় যাত্রী চলাচলে ১৪ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি-জুনে জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১ কোটি ৩৭ লাখেরও বেশি যাত্রীকে স্বাগত জানিয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, যাত্রী সংখ্যার এ বৃদ্ধি প্রধান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে আবুধাবির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেছে। পাশাপাশি আরব আমিরাতের অর্থনীতিতে পর্যটন, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।