
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের আয়োজনে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশিদের ব্যবসায়ীদের সম্মানে নেটওয়ার্কিং ডিনারের অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই জমকালো ডিনারে উপস্থিত ছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ডলটোন হাউস ডার্লিং আইল্যান্ডে শুরু হয় নেটওয়ার্কিং ডিনার। আয়োজনে ছিল ভিজ্যুয়াল রিক্যাপ, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী ‘অ্যাকনলেজমেন্ট অব কান্ট্রি’।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের আনুষ্ঠানিক স্বাগত জানান অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সেক্রেটারি ব্রায়ান লল।
ফোরামের প্রেসিডেন্ট আবদুল খান রতন তার বক্তব্যে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
পাশাপাশি তিনি অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সকল সদস্য, উপদেষ্টা ডা. আইয়াজ চৌধুরী ও সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মেদ জামান টিটুকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

আরও বক্তব্য দেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মন্ত্রী পেনি শার্প এমএলসি, মন্ত্রী আনুলাক চানথেভং, শ্যাডো মিনিস্টার মার্ক কোরি এমপি, ফেডারেল মেম্বার ডা. মাইক ফ্রিলান্ডার এমপি, মার্ক স্পিকম্যান এসসি এমপি, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশন বাংলাদেশ বেন কারসন, বাংলাদেশের কর্ণফুলি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সামিউর ইসলাম, ডা. আইয়াজ চৌধুরী, ডা. মনিরুল ইসলামসহ অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল ও রাজ্যের রাজনীতিকেরা।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। যাদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয় তারা হলেন কর্ণফুলি শিপ বিল্ডার্সের পরিচালক সামিউর ইসলাম, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনালের সিইও ড সবুর খান এবং বিজিএমইএ, এফবিসিসিআই, ডিকসিসিআই, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল, মিডিয়া পার্টনার বাংলাদেশের সময় টিভি।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ডিমি কোলোভস, রোমানা হক, নিলুফার ইয়াসমিন প্রমুখ শিল্পীরা। নৃত্য পরিবেশন করেন স্পিরিট অব দ্য আইল্যান্ডস ডান্স কোম্পানি ও আদ্রিতা আকাশ।
অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপো ২০২৫–এর এই নেটওয়ার্কিং ডিনার দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন আয়োজকেরা।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের আয়োজনে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশিদের ব্যবসায়ীদের সম্মানে নেটওয়ার্কিং ডিনারের অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই জমকালো ডিনারে উপস্থিত ছিলেন দুই দেশের সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ডলটোন হাউস ডার্লিং আইল্যান্ডে শুরু হয় নেটওয়ার্কিং ডিনার। আয়োজনে ছিল ভিজ্যুয়াল রিক্যাপ, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী ‘অ্যাকনলেজমেন্ট অব কান্ট্রি’।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের আনুষ্ঠানিক স্বাগত জানান অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সেক্রেটারি ব্রায়ান লল।
ফোরামের প্রেসিডেন্ট আবদুল খান রতন তার বক্তব্যে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
পাশাপাশি তিনি অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সকল সদস্য, উপদেষ্টা ডা. আইয়াজ চৌধুরী ও সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মেদ জামান টিটুকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

আরও বক্তব্য দেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মন্ত্রী পেনি শার্প এমএলসি, মন্ত্রী আনুলাক চানথেভং, শ্যাডো মিনিস্টার মার্ক কোরি এমপি, ফেডারেল মেম্বার ডা. মাইক ফ্রিলান্ডার এমপি, মার্ক স্পিকম্যান এসসি এমপি, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশন বাংলাদেশ বেন কারসন, বাংলাদেশের কর্ণফুলি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সামিউর ইসলাম, ডা. আইয়াজ চৌধুরী, ডা. মনিরুল ইসলামসহ অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল ও রাজ্যের রাজনীতিকেরা।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলোকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। যাদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয় তারা হলেন কর্ণফুলি শিপ বিল্ডার্সের পরিচালক সামিউর ইসলাম, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনালের সিইও ড সবুর খান এবং বিজিএমইএ, এফবিসিসিআই, ডিকসিসিআই, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল, মিডিয়া পার্টনার বাংলাদেশের সময় টিভি।

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ডিমি কোলোভস, রোমানা হক, নিলুফার ইয়াসমিন প্রমুখ শিল্পীরা। নৃত্য পরিবেশন করেন স্পিরিট অব দ্য আইল্যান্ডস ডান্স কোম্পানি ও আদ্রিতা আকাশ।
অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপো ২০২৫–এর এই নেটওয়ার্কিং ডিনার দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন আয়োজকেরা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।