
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।
সংস্থার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, রমজান মাস শুরু হবে নতুন চাঁদ ওঠার ভিত্তিতে। এ চাঁদ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেল ৪টা ১ মিনিটে আবুধাবির সময় অনুযায়ী জন্ম নেবে।
কিন্তু এ নতুন চাঁদ সূর্যাস্তের এক মিনিট পরই অস্ত যাবে। তাই সেই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না। তাই রমজানের প্রথম দিন হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি।
আল জারওয়ান জানান, আবুধাবিতে রোজা রাখার সময় শুরুতে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট হবে। মাসের শেষের দিকে এটি ধীরে ধীরে বেড়ে ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিটে পৌঁছাবে। আবুধাবিতে ওই মাসের শুরুতে তাপমাত্রা ১৬°ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮°ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকতে পারে। রমজানের শেষ দিকে তাপমাত্রা বেড়ে ১৯°ডিগ্রি থেকে ৩২°ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে।
আল জারওয়ান আরও জানান, পবিত্র রমজানের পুরো মাস বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় বৃষ্টির পরিমাণ ১৫ মিলিমিটার ছাড়াতে পারে; যা মৌসুমি গড় আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।
সংস্থার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানান, রমজান মাস শুরু হবে নতুন চাঁদ ওঠার ভিত্তিতে। এ চাঁদ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেল ৪টা ১ মিনিটে আবুধাবির সময় অনুযায়ী জন্ম নেবে।
কিন্তু এ নতুন চাঁদ সূর্যাস্তের এক মিনিট পরই অস্ত যাবে। তাই সেই দিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না। তাই রমজানের প্রথম দিন হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি।
আল জারওয়ান জানান, আবুধাবিতে রোজা রাখার সময় শুরুতে প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট হবে। মাসের শেষের দিকে এটি ধীরে ধীরে বেড়ে ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিটে পৌঁছাবে। আবুধাবিতে ওই মাসের শুরুতে তাপমাত্রা ১৬°ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮°ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকতে পারে। রমজানের শেষ দিকে তাপমাত্রা বেড়ে ১৯°ডিগ্রি থেকে ৩২°ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে।
আল জারওয়ান আরও জানান, পবিত্র রমজানের পুরো মাস বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় বৃষ্টির পরিমাণ ১৫ মিলিমিটার ছাড়াতে পারে; যা মৌসুমি গড় আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।