
বিডিজেন ডেস্ক

মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে ভারত ও পাকিস্তানে বহু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া, বহু ফ্লাইটের গন্তব্য পাল্টানো হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি ভারতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা ভারত–নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে তাদের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে। রাজস্থান ও পাঞ্জাবসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি নগরেও উড়োজাহাজ চলাচল বাতিল করা হয়েছে।
এক্সটার্নাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, ফিনএয়ার, এমিরেটস, টার্কিশ কার্গো ও সাউদিয়ার ফ্লাইট তাদের গন্তব্য পরিবর্তন করেছে।
এ ছাড়া, বিমাবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ধর্মশালা, লেহ, জম্মু, শ্রীনগর, অমৃতসরসহ ভারতের উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায়। ভারতের অন্যতম উড়োজাহাজ সংস্থা স্পাইসজেট বলছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে এসব বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসও তাদের ফ্লাইট স্থগিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইন্ডিগো বলেছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে ওই সব নগর থেকে তাদের ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
ভারতীয় আরেক বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া বলেছে, তারা আজ স্থানীয় সময় দুপুর পর্যন্ত জম্মু, শ্রীনগর, লেহ, যোধপুর, অমৃতসর, ভুজ, জামনগর, চণ্ডীগড় ও রাজকোটে চলাচল করা তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। এ ছাড়া, অমৃতসরগামী ২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের পথ পরিবর্তন করে সেগুলো রাজধানী দিল্লিতে পাঠিয়ে দিয়েছে এয়ার এন্ডিয়া।
অন্যদিকে পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ লাহোর, করাচিসহ তাদের কয়েকটি বড় শহরের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ পাকিস্তানের বড় কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, অনেক উড়োজাহাজ পাকিস্তানের আকাশসীমা এড়াতে অন্য পথে ঘুরে গেছে। এয়ার ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছে, পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের ওপর দিয়ে তাদের সব ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।
একই ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে জার্মান উড়োজাহাজ সংস্থা লুফথানসা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তারা বলেছে, পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের উড়োজাহাজগুলো পাকিস্তানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলবে।

মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে ভারত ও পাকিস্তানে বহু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া, বহু ফ্লাইটের গন্তব্য পাল্টানো হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি ভারতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা ভারত–নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে তাদের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে। রাজস্থান ও পাঞ্জাবসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি নগরেও উড়োজাহাজ চলাচল বাতিল করা হয়েছে।
এক্সটার্নাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, ফিনএয়ার, এমিরেটস, টার্কিশ কার্গো ও সাউদিয়ার ফ্লাইট তাদের গন্তব্য পরিবর্তন করেছে।
এ ছাড়া, বিমাবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ধর্মশালা, লেহ, জম্মু, শ্রীনগর, অমৃতসরসহ ভারতের উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায়। ভারতের অন্যতম উড়োজাহাজ সংস্থা স্পাইসজেট বলছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে এসব বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে ইন্ডিগো এয়ারলাইনসও তাদের ফ্লাইট স্থগিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইন্ডিগো বলেছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে ওই সব নগর থেকে তাদের ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
ভারতীয় আরেক বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া বলেছে, তারা আজ স্থানীয় সময় দুপুর পর্যন্ত জম্মু, শ্রীনগর, লেহ, যোধপুর, অমৃতসর, ভুজ, জামনগর, চণ্ডীগড় ও রাজকোটে চলাচল করা তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। এ ছাড়া, অমৃতসরগামী ২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের পথ পরিবর্তন করে সেগুলো রাজধানী দিল্লিতে পাঠিয়ে দিয়েছে এয়ার এন্ডিয়া।
অন্যদিকে পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ লাহোর, করাচিসহ তাদের কয়েকটি বড় শহরের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ পাকিস্তানের বড় কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, অনেক উড়োজাহাজ পাকিস্তানের আকাশসীমা এড়াতে অন্য পথে ঘুরে গেছে। এয়ার ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছে, পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের ওপর দিয়ে তাদের সব ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।
একই ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে জার্মান উড়োজাহাজ সংস্থা লুফথানসা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তারা বলেছে, পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের উড়োজাহাজগুলো পাকিস্তানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।