

মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি (২০২৫) ফলাফল সন্তোষজনক হয়েছে।
আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির শেখ খলিফা বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এ বছর বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৪ জন। এর মধ্যে ১জন গোল্ডেন ‘এ’ প্লাস ও ৬ জন ‘এ’+ পেয়েছে। ‘এ’ পেয়েছে ২৮ জন, ‘বি’ পেয়েছে ৭ জন এবং ‘সি’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন। মোট কৃতকার্য হয়েছে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী। পাসের হার ৯৭ শতাংশ ৭৩ শতাংশ।
অন্যদিকে আমিরাতের রাস আল খাইমায় বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল থেকে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা পরীক্ষায় ১৯ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্য থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১ জন ‘এ’+ এবং ১১ জন ‘এ’ গ্রেড, মোট ১২জন পাস করেছে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ জন ‘এ’+ এবং ৪ জন ‘এ’ গ্রেড, মোট ৫ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৯ শতাংশ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশি দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি (২০২৫) ফলাফল সন্তোষজনক হয়েছে।
আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির শেখ খলিফা বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এ বছর বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৪ জন। এর মধ্যে ১জন গোল্ডেন ‘এ’ প্লাস ও ৬ জন ‘এ’+ পেয়েছে। ‘এ’ পেয়েছে ২৮ জন, ‘বি’ পেয়েছে ৭ জন এবং ‘সি’ গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ জন। মোট কৃতকার্য হয়েছে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী। পাসের হার ৯৭ শতাংশ ৭৩ শতাংশ।
অন্যদিকে আমিরাতের রাস আল খাইমায় বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল থেকে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা পরীক্ষায় ১৯ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্য থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১ জন ‘এ’+ এবং ১১ জন ‘এ’ গ্রেড, মোট ১২জন পাস করেছে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ জন ‘এ’+ এবং ৪ জন ‘এ’ গ্রেড, মোট ৫ জন পাস করেছে। পাসের হার ৮৯ শতাংশ।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।