
বিডিজেন ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও অন্তত ৭৭ জন নিহত হয়েছে। গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাতভর হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে গাজার মেডিকেল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জজিরার।
গতকাল দিবাগত রাতে গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরে জাতিসংঘের ইউএনআরডব্লিউএ মেডিকেল স্থাপনাতেও ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে। সেখানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছে।
গাজার সূত্র জানায়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী খান ইউনিসের কাছে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের অস্থায়ী শিবিরে রাতভর হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২৪ ব্যক্তি নিহত হয়।
ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান গাজার নগরের সুজাইয়া এলাকাতেও বোমাবর্ষণ করেছে। এতে অন্তত ৩ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের নির্বিচার ও নৃশংস হামলায় কমপক্ষে ৫০ হাজার ৪২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৩৮ জন।
তবে সরকারের গণমাধ্যম কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৬১ হাজার ৭০০ জনের বেশি নিহত হয়েছে। তারা বলছে, ধ্বংস্তূপের নিচে হাজারো মানুষ চাপা পড়ে আছে। তারা মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া, ২০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে বন্দী করে গাজায় নিয়ে আসা হয়।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তার উপপ্রধান জয়েস সুয়া নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, ত্রাণসহায়তাকারীদের জন্য গাজা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গা। সেখানে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত জাতিসংঘের ৪০৮ জন কর্মী নিহত হয়েছে।

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও অন্তত ৭৭ জন নিহত হয়েছে। গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাতভর হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে গাজার মেডিকেল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জজিরার।
গতকাল দিবাগত রাতে গাজার জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরে জাতিসংঘের ইউএনআরডব্লিউএ মেডিকেল স্থাপনাতেও ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে। সেখানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছে।
গাজার সূত্র জানায়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী খান ইউনিসের কাছে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের অস্থায়ী শিবিরে রাতভর হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২৪ ব্যক্তি নিহত হয়।
ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান গাজার নগরের সুজাইয়া এলাকাতেও বোমাবর্ষণ করেছে। এতে অন্তত ৩ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের নির্বিচার ও নৃশংস হামলায় কমপক্ষে ৫০ হাজার ৪২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৩৮ জন।
তবে সরকারের গণমাধ্যম কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৬১ হাজার ৭০০ জনের বেশি নিহত হয়েছে। তারা বলছে, ধ্বংস্তূপের নিচে হাজারো মানুষ চাপা পড়ে আছে। তারা মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া, ২০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে বন্দী করে গাজায় নিয়ে আসা হয়।
জাতিসংঘের মানবিক সহায়তার উপপ্রধান জয়েস সুয়া নিরাপত্তা পরিষদকে বলেন, ত্রাণসহায়তাকারীদের জন্য গাজা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গা। সেখানে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত জাতিসংঘের ৪০৮ জন কর্মী নিহত হয়েছে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।