
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে আগামী ১ ও ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপো ২০২৫।
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজনের উদ্বোধন করবেন নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিন্স এমপি। এতে যোগ দেবেন অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও নীতি নির্ধারকেরা।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুই দিনব্যাপী এই এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে সিডনির ৬৬ গলবার্ন স্ট্রিটের মেসোনিক সেন্টার (Masonic Centre, 66 Goulburn Street, Sydney NSW 2000) প্রাঙ্গণে।
আয়োজকদের মতে, এই বিজনেস এক্সপো হবে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহযোগিতার একটি টার্নিং পয়েন্ট। এর মূল লক্ষ্য—
* অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো
* গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া
* বিভিন্ন শিল্পখাতে সহযোগিতা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা
* নতুন বাজারে ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করা
* বিশেষজ্ঞদের সেমিনারের মাধ্যমে বাজার অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করা।

এই এক্সপোতে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাত তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে রয়েছে
আয়োজক কমিটি আরও জানায়, এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাংলাদেশি পণ্য ও সেবার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
এক্সপোতে অংশগ্রহণের জন্য ফ্রি রেজিস্ট্রেশন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। যোগাযোগ: ফোন: +৬১ ৪০২ ৬৯৫ ৫৭২। australiabangladeshbusinessforum.com
এ আয়োজনকে সহযোগিতা করছে—নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার; ইনভেস্টমেন্ট, নিউ সাউথ ওয়েলস; বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; অস্ট্রেলিয়ার কমার্স; অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন ঢাকা; গ্রেটার কাম্বারল্যান্ড চেম্বার অব কমার্স, ক্যান্টারবেরি ব্যাংকসটাউন চেম্বার অফ কমার্স, প্যারামাটা চেম্বার অব কমার্স, এমইউএসআইএডি সিডনি; অস্ট্রেলিয়ান মাল্টিজ চেম্বার অব কমার্স, লিভারপুল চেম্বার অব কমার্স, কর্নফুলি শিপ বিল্ডার্স ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিসহ একাধিক অস্ট্রেলিয়ান ও বাংলাদেশি বাণিজ্যিক সংগঠন।
ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য এ আয়োজন হয়ে উঠবে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এক অনন্য সুযোগ।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে আগামী ১ ও ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপো ২০২৫।
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজনের উদ্বোধন করবেন নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিন্স এমপি। এতে যোগ দেবেন অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও নীতি নির্ধারকেরা।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুই দিনব্যাপী এই এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে সিডনির ৬৬ গলবার্ন স্ট্রিটের মেসোনিক সেন্টার (Masonic Centre, 66 Goulburn Street, Sydney NSW 2000) প্রাঙ্গণে।
আয়োজকদের মতে, এই বিজনেস এক্সপো হবে অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য সহযোগিতার একটি টার্নিং পয়েন্ট। এর মূল লক্ষ্য—
* অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো
* গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া
* বিভিন্ন শিল্পখাতে সহযোগিতা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা
* নতুন বাজারে ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করা
* বিশেষজ্ঞদের সেমিনারের মাধ্যমে বাজার অন্তর্দৃষ্টি অর্জন করা।

এই এক্সপোতে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাত তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে রয়েছে
আয়োজক কমিটি আরও জানায়, এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাংলাদেশি পণ্য ও সেবার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
এক্সপোতে অংশগ্রহণের জন্য ফ্রি রেজিস্ট্রেশন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। যোগাযোগ: ফোন: +৬১ ৪০২ ৬৯৫ ৫৭২। australiabangladeshbusinessforum.com
এ আয়োজনকে সহযোগিতা করছে—নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার; ইনভেস্টমেন্ট, নিউ সাউথ ওয়েলস; বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; অস্ট্রেলিয়ার কমার্স; অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন ঢাকা; গ্রেটার কাম্বারল্যান্ড চেম্বার অব কমার্স, ক্যান্টারবেরি ব্যাংকসটাউন চেম্বার অফ কমার্স, প্যারামাটা চেম্বার অব কমার্স, এমইউএসআইএডি সিডনি; অস্ট্রেলিয়ান মাল্টিজ চেম্বার অব কমার্স, লিভারপুল চেম্বার অব কমার্স, কর্নফুলি শিপ বিল্ডার্স ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিসহ একাধিক অস্ট্রেলিয়ান ও বাংলাদেশি বাণিজ্যিক সংগঠন।
ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য এ আয়োজন হয়ে উঠবে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এক অনন্য সুযোগ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।