
বিডিজেন ডেস্ক

অবিলম্বে গাজা যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে নতুন এক যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হয়েছে হামাস। গতকাল শনিবার (২৯ মার্চ) ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে গাজায় হামাসের প্রধান খলিল আল-হাইয়া এ কথা জানান। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, হামাস অস্ত্র ছাড়বে না।
লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
খলিল আল-হাইয়া ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য কোনো ধরনের অপমান ও নিপীড়ন প্রত্যাখ্যান করে জোর দিয়ে বলেন, ‘কোনো স্থানান্তর নয়, কোনো বহিষ্কার নয়।’ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবনা নিয়ে তিনি বলেন, হামাস ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো দেড় বছর ধরে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় দখলদারদের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল গাজার ওপর আগ্রাসন বন্ধ করা, ফিলিস্তিনি জনগণের তাদের ভূমি ও স্বদেশের অধিকার সমুন্নত রাখা এবং দখলদারদের কারাগার থেকে বন্দীদের মুক্তি নিশ্চিত করা। খলিল আল-হাইয়া জোর দিয়ে বলেন, হামাস দায়িত্ব ও আশাবাদের সঙ্গে সব যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করছে, যার উদ্দেশ্য হলো জনগণের নিরাপত্তার জন্য গাজার ওপর যুদ্ধ বন্ধ করা।
এই প্রেক্ষাপটে আল-হাইয়া জানান, হামাস ‘দুদিন আগে মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে একটি প্রস্তাব পেয়েছে’, এবং তিনি ঘোষণা করেন, হামাস এটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে ‘এতে রাজি হয়েছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘ইসরায়েল’ এতে বাধা দেবে না এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করবে না।
ইসরায়েল প্রসঙ্গে আল-হাইয়া বলেন, দখলদার ইসরায়েল ‘তাদের স্বভাব অনুযায়ী যেকোনো চুক্তি বিলম্বিত ও এড়িয়ে গেছে, যার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা এবং তাদের সরকারকে যত দূর সম্ভব ক্ষমতায় রাখা।’ তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার সমস্ত মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা বানচাল করেছেন।’
এদিকে, ইসরায়েল গতকাল শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছে যে, তারা মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কাছ থেকে একটি নতুন যুদ্ধবিরতি-জিম্মি মুক্তি প্রস্তাব পেয়েছে এবং তারা একটি পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, নেতানিয়াহু শুক্রবার রাতে প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনার জন্য বেশ কয়েকটি পরামর্শ সভা করেছেন। তারা জানিয়েছে, তাদের পাল্টা প্রস্তাব ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পূর্ণ সমন্বয় করেই’ করা হয়েছে।
এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, হামাস সম্ভবত ঈদুল ফিতরের দিন থেকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। এটি আজ রোববার বা সোমবার থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই অবস্থান ইসরায়েলের দাবি পূরণ করে না। কারণ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি পুনরায় শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফের আগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ১০-১১ জন জীবিত বন্দীর প্রত্যাবর্তনের ওপর জোর দিচ্ছে।
মিসরীয় সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লাকে ওই কর্মকর্তা বলেন, ঈদুল-ফিতরের আগে কোনো চুক্তির সম্ভাবনা নেই। তিনি আরও বলেন, মিসরীয় প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতির সময় নিহত বন্দীদের মরদেহও ফেরত দেওয়া হবে, তবে তিনি কোনো সংখ্যা জানাননি।

অবিলম্বে গাজা যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে নতুন এক যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে রাজি হয়েছে হামাস। গতকাল শনিবার (২৯ মার্চ) ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে গাজায় হামাসের প্রধান খলিল আল-হাইয়া এ কথা জানান। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, হামাস অস্ত্র ছাড়বে না।
লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
খলিল আল-হাইয়া ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য কোনো ধরনের অপমান ও নিপীড়ন প্রত্যাখ্যান করে জোর দিয়ে বলেন, ‘কোনো স্থানান্তর নয়, কোনো বহিষ্কার নয়।’ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবনা নিয়ে তিনি বলেন, হামাস ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো দেড় বছর ধরে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় দখলদারদের সঙ্গে আলোচনা করেছে।
এই আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল গাজার ওপর আগ্রাসন বন্ধ করা, ফিলিস্তিনি জনগণের তাদের ভূমি ও স্বদেশের অধিকার সমুন্নত রাখা এবং দখলদারদের কারাগার থেকে বন্দীদের মুক্তি নিশ্চিত করা। খলিল আল-হাইয়া জোর দিয়ে বলেন, হামাস দায়িত্ব ও আশাবাদের সঙ্গে সব যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করছে, যার উদ্দেশ্য হলো জনগণের নিরাপত্তার জন্য গাজার ওপর যুদ্ধ বন্ধ করা।
এই প্রেক্ষাপটে আল-হাইয়া জানান, হামাস ‘দুদিন আগে মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে একটি প্রস্তাব পেয়েছে’, এবং তিনি ঘোষণা করেন, হামাস এটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে ‘এতে রাজি হয়েছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘ইসরায়েল’ এতে বাধা দেবে না এবং মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করবে না।
ইসরায়েল প্রসঙ্গে আল-হাইয়া বলেন, দখলদার ইসরায়েল ‘তাদের স্বভাব অনুযায়ী যেকোনো চুক্তি বিলম্বিত ও এড়িয়ে গেছে, যার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা এবং তাদের সরকারকে যত দূর সম্ভব ক্ষমতায় রাখা।’ তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘গাজা থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার সমস্ত মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা বানচাল করেছেন।’
এদিকে, ইসরায়েল গতকাল শনিবার রাতে নিশ্চিত করেছে যে, তারা মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর কাছ থেকে একটি নতুন যুদ্ধবিরতি-জিম্মি মুক্তি প্রস্তাব পেয়েছে এবং তারা একটি পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, নেতানিয়াহু শুক্রবার রাতে প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনার জন্য বেশ কয়েকটি পরামর্শ সভা করেছেন। তারা জানিয়েছে, তাদের পাল্টা প্রস্তাব ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পূর্ণ সমন্বয় করেই’ করা হয়েছে।
এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, হামাস সম্ভবত ঈদুল ফিতরের দিন থেকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। এটি আজ রোববার বা সোমবার থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই অবস্থান ইসরায়েলের দাবি পূরণ করে না। কারণ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি পুনরায় শুরু করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফের আগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ১০-১১ জন জীবিত বন্দীর প্রত্যাবর্তনের ওপর জোর দিচ্ছে।
মিসরীয় সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লাকে ওই কর্মকর্তা বলেন, ঈদুল-ফিতরের আগে কোনো চুক্তির সম্ভাবনা নেই। তিনি আরও বলেন, মিসরীয় প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতির সময় নিহত বন্দীদের মরদেহও ফেরত দেওয়া হবে, তবে তিনি কোনো সংখ্যা জানাননি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।