
বিডিজেন ডেস্ক

ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্রতম মসজিদের শহর সৌদি আরবের মদিনার কর্তৃপক্ষ রমজানের শুরুতে শাটল বাস পরিষেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ মার্চ থেকে এই পরিষেবা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য, রোজার মাসে শহরের বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের চলাচল সহজ করা।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, মদিনা বাস প্রকল্পটি আল সালাম এবং সাইয়্যেদ আল শুহাদা স্টেশন ব্যতীত দিনে ১৮ ঘন্টা নবীর মসজিদের রুটে চলবে। এটি সপ্তাহের ৭ দিনই চলবে বলে জানা যায়।
পরিষেবাটি যানজট কমিয়ে মসজিদের চারপাশে গতিশীলতা বাড়াতে, যানবাহন নির্গমন হ্রাস করে পথচারী-বান্ধব এলাকা সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি পরিষ্কার পরিবেশের প্রচারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত বছর ২০ লাখ মানুষ এই পরিষেবাটি ব্যবহার করেছেন। এবার যাত্রী আরও বেড়ে যেতে পারে। এ কারণে বাসের পরিচালন সময় এবং থামার সময় বাড়ানো হবে।
সৌরবিদ্যুতে চলে এসব বাস। এটি মদিনা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি প্রজেক্টের অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
এসব বাস ১০৬টি স্টপ কভার করে। প্রতিটি স্টপেজ ডিসপ্লে স্ক্রিন, রুট ম্যাপ ও পরিষেবার সময়সূচী দিয়ে সজ্জিত। মসজিদ, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শপিংমল এবং স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্টপেজ রাখা হয়েছে।

ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্রতম মসজিদের শহর সৌদি আরবের মদিনার কর্তৃপক্ষ রমজানের শুরুতে শাটল বাস পরিষেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ মার্চ থেকে এই পরিষেবা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য, রোজার মাসে শহরের বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের চলাচল সহজ করা।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, মদিনা বাস প্রকল্পটি আল সালাম এবং সাইয়্যেদ আল শুহাদা স্টেশন ব্যতীত দিনে ১৮ ঘন্টা নবীর মসজিদের রুটে চলবে। এটি সপ্তাহের ৭ দিনই চলবে বলে জানা যায়।
পরিষেবাটি যানজট কমিয়ে মসজিদের চারপাশে গতিশীলতা বাড়াতে, যানবাহন নির্গমন হ্রাস করে পথচারী-বান্ধব এলাকা সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি পরিষ্কার পরিবেশের প্রচারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত বছর ২০ লাখ মানুষ এই পরিষেবাটি ব্যবহার করেছেন। এবার যাত্রী আরও বেড়ে যেতে পারে। এ কারণে বাসের পরিচালন সময় এবং থামার সময় বাড়ানো হবে।
সৌরবিদ্যুতে চলে এসব বাস। এটি মদিনা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি প্রজেক্টের অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
এসব বাস ১০৬টি স্টপ কভার করে। প্রতিটি স্টপেজ ডিসপ্লে স্ক্রিন, রুট ম্যাপ ও পরিষেবার সময়সূচী দিয়ে সজ্জিত। মসজিদ, ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শপিংমল এবং স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্টপেজ রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।