
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া
মালয়েশিয়ার পেনাং, কেডাহ ও পেরাক প্রদেশসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটদান বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে কেদাহ প্রদেশের কুলিমে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোসাম্মাৎ শাহানারা মনিকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রবাসীরা নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের হাত থেকে প্রবাসীরা জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) গ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনটি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, 'প্রবাসীরা যেন এই নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।'

তিনি বলেন, 'ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগেই নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর এবং কোনো প্রভাবে নির্বাচন কমিশন প্রভাবিত হবে না।'

এ সময় তিনি প্রবাসীরা কীভাবে ভোটদান করবেন সে প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন। তিনি জানান, প্রবাসী ভোটারদের জন্য ‘তথ্যপ্রযুক্তি-সহায়ক পোস্টাল ভোটিং’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অনলাইনে ভোটার হিসেবে আবেদন এবং নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রবাসীদের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। এরপর প্রবাসীদের ঠিকানায় পোস্টের মাধ্যমে ব্যালট পেপার এবং ফিরতি খাম পাঠানো হবে। প্রবাসীরা ভোট প্রদান করে নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নির্ধারিত খামে ব্যালট পেপার পোস্ট করবেন। তা সংশিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে চলে যাবে। ভোটাররা তার ব্যালট কোথায় যাচ্ছে তা অনলাইনে ট্র্যাকিং করতে পারবেন। তিনি এ প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার তার বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং ভোটদান প্রক্রিয়া বিষয়ে মতবিনিময়ের জন্য নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানান। ভোটিং প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের অংশগ্রহণে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী হাইকমিশন সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা চালাবে বলে তিনি জানান।

পরে নির্বাচন কমিশনার জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করেন এবং উপস্থিত প্রবাসী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্বাচন কমিশনার এবং ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট বিষয়ে নানাবিধ প্রশ্নের জবাব দেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী কমিউনিটি প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মালয়েশিয়ার পেনাং, কেডাহ ও পেরাক প্রদেশসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটদান বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে কেদাহ প্রদেশের কুলিমে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মোসাম্মাৎ শাহানারা মনিকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রবাসীরা নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের হাত থেকে প্রবাসীরা জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) গ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনটি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, 'প্রবাসীরা যেন এই নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।'

তিনি বলেন, 'ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে রোজার আগেই নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর এবং কোনো প্রভাবে নির্বাচন কমিশন প্রভাবিত হবে না।'

এ সময় তিনি প্রবাসীরা কীভাবে ভোটদান করবেন সে প্রক্রিয়া বর্ণনা করেন। তিনি জানান, প্রবাসী ভোটারদের জন্য ‘তথ্যপ্রযুক্তি-সহায়ক পোস্টাল ভোটিং’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অনলাইনে ভোটার হিসেবে আবেদন এবং নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হচ্ছে। প্রবাসীদের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। এরপর প্রবাসীদের ঠিকানায় পোস্টের মাধ্যমে ব্যালট পেপার এবং ফিরতি খাম পাঠানো হবে। প্রবাসীরা ভোট প্রদান করে নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত নির্ধারিত খামে ব্যালট পেপার পোস্ট করবেন। তা সংশিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে চলে যাবে। ভোটাররা তার ব্যালট কোথায় যাচ্ছে তা অনলাইনে ট্র্যাকিং করতে পারবেন। তিনি এ প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার তার বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং ভোটদান প্রক্রিয়া বিষয়ে মতবিনিময়ের জন্য নির্বাচন কমিশনারকে ধন্যবাদ জানান। ভোটিং প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের অংশগ্রহণে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী হাইকমিশন সকল প্রকার প্রচার-প্রচারণা চালাবে বলে তিনি জানান।

পরে নির্বাচন কমিশনার জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) বিতরণ করেন এবং উপস্থিত প্রবাসী ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্বাচন কমিশনার এবং ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট বিষয়ে নানাবিধ প্রশ্নের জবাব দেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসী কমিউনিটি প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।