
বিডিজেন ডেস্ক

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে মধ্যস্থতা করতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পেসকভ বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত বন্ধে প্রয়োজনে রাশিয়া মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত।
তবে পেসকভ বলেন, ‘বর্তমানে আমরা অন্তত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের মধ্যস্থতা গ্রহণ বা শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে যাওয়ার আগ্রহ দেখছি না।’
ইরান রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, রাশিয়া বহু বছর ধরেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। ইসরায়েলকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করছে মস্কো।
এদিকে ইরানের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট (এইচআরএএনএ) জানায়, এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ইরানে ৪৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এরমধ্যে বেসামরিক মানুষের সংখ্যা ২২৪। আর সামরিক বাহিনীর সদস্য ১০৯ জন।
অন্যদিকে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার রাত থেকে ইরানের হামলায় গুরুতর আহত ১৫৪ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। এরপর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলে হামলা চালায় ইরান। গত ৪ দিন ধরেই উভয় দেশেই একে অপরের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। ইসরায়েলের হামলার মুখে তেহরান ছাড়ছেন শহরটির অনেক বাসিন্দা।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে মধ্যস্থতা করতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পেসকভ বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত বন্ধে প্রয়োজনে রাশিয়া মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত।
তবে পেসকভ বলেন, ‘বর্তমানে আমরা অন্তত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের মধ্যস্থতা গ্রহণ বা শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে যাওয়ার আগ্রহ দেখছি না।’
ইরান রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, রাশিয়া বহু বছর ধরেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। ইসরায়েলকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করছে মস্কো।
এদিকে ইরানের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট (এইচআরএএনএ) জানায়, এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ইরানে ৪৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এরমধ্যে বেসামরিক মানুষের সংখ্যা ২২৪। আর সামরিক বাহিনীর সদস্য ১০৯ জন।
অন্যদিকে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার রাত থেকে ইরানের হামলায় গুরুতর আহত ১৫৪ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়। এরপর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলে হামলা চালায় ইরান। গত ৪ দিন ধরেই উভয় দেশেই একে অপরের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। ইসরায়েলের হামলার মুখে তেহরান ছাড়ছেন শহরটির অনেক বাসিন্দা।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।