
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইসরায়েলের সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি ইসরায়েলর দুর্বলতার লক্ষণ বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি এক এক্স (সাবেক টুইটার) বার্তায় এ মন্তব্য করেন।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে।
খামেনি বলেছেন, এটা সত্য যে জায়নিস্ট শাসনের যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুদের এখন হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। এ ধরনের কথা (সাহায্য চাওয়া) বলতে হচ্ছে—যা প্রমাণ করে, ওই (ইসরায়েল) শাসনব্যবস্থা কতটা দুর্বল ও অক্ষম।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি আরও বলেন, ‘আমি আমাদের প্রিয় জাতিকে বলতে চাই, ‘শত্রু যদি বুঝতে পারে আপনি তাদের ভয় পাচ্ছেন, তাহলে তারা আপনাকে ছাড়বে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা এখন পর্যন্ত যেভাবে আচরণ করেছেন, তা অব্যাহত রাখুন; সেই আচরণই আরও দৃঢ়তার সঙ্গে চালিয়ে যান।’
এর আগে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, খামেনিকে ‘আর বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া যায় না’। তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রকে ধ্বংস করা তাঁর (খামেনি) লক্ষ্য... এমন একজন মানুষকে আর বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া যায় না।’

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইসরায়েলের সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি ইসরায়েলর দুর্বলতার লক্ষণ বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি এক এক্স (সাবেক টুইটার) বার্তায় এ মন্তব্য করেন।
কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে।
খামেনি বলেছেন, এটা সত্য যে জায়নিস্ট শাসনের যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুদের এখন হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। এ ধরনের কথা (সাহায্য চাওয়া) বলতে হচ্ছে—যা প্রমাণ করে, ওই (ইসরায়েল) শাসনব্যবস্থা কতটা দুর্বল ও অক্ষম।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি আরও বলেন, ‘আমি আমাদের প্রিয় জাতিকে বলতে চাই, ‘শত্রু যদি বুঝতে পারে আপনি তাদের ভয় পাচ্ছেন, তাহলে তারা আপনাকে ছাড়বে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা এখন পর্যন্ত যেভাবে আচরণ করেছেন, তা অব্যাহত রাখুন; সেই আচরণই আরও দৃঢ়তার সঙ্গে চালিয়ে যান।’
এর আগে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, খামেনিকে ‘আর বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া যায় না’। তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রকে ধ্বংস করা তাঁর (খামেনি) লক্ষ্য... এমন একজন মানুষকে আর বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া যায় না।’
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।