
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠনের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বাকৃবি অ্যালামনাই গালা নাইট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির রকডেলের অভিজাত রেড রোজ ফাংশন সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজনে সন্ধ্যাজুড়ে ছিল প্রাণের মিলন, হাসি-আনন্দ, স্মৃতিচারণ আর একতার আবেশে ভরপুর অ্যালামনাইদের উচ্ছ্বাস। আরও ছিল আলোকচিত্র বুথ, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ, নৈশভোজ।

এ ছাড়া, বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্রকাশিত হয় ম্যাগাজিন ‘প্রবাসে বাউ (BAU) স্পন্দন’। প্রকাশিত ম্যাগাজিনটির প্রধান সম্পাদক ছিলেন ড. নিউটন মুহুরী দেবু, সহযোগী সম্পাদক ড. লতিফ সিদ্দিকী লিটন ও জিয়াউল হক বাবলু।
ধর্মীয় বাণী পাঠ এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
সংগঠনের সভাপতি আবদুল ওয়ারেস বাবুল তার স্বাগত বক্তব্যে উপস্থিত সকল অ্যালামনাই, অতিথি, আয়োজক ও স্পনসরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সাধারণ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান সেলিম সংগঠনের লক্ষ্য, চলমান কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সাবেক সভাপতি ড. আনোয়ারুল বকসী বিশেষ শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পর্ব পরিচালনা করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক কবির চৌধুরী রুবেল এবং সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রুমানা ইয়াছমিন।
নবীন ও প্রবীণ অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ। এই পর্ব উপস্থাপনা করেন দিনা ও সোহাগ, যাদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

র্যাফেল ড্র পরিচালনা করেন যুগ্মসচিব সত্যজিৎ সাহা আবীর, যেখানে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় অ্যালামনাই শামীম হাসানের একটি শিল্পকর্ম (পেইন্টিং)।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয় করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেরুন সুলতানা সাথী, সহযোগিতায় ছিলেন কার্যকরী সদস্য ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন।
গালা নাইটের মধ্যমনি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন দুই বিশিষ্ট অধ্যাপক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন ও অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান।
এক উচ্ছ্বসিত সন্ধ্যার শেষে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় এক অভিন্ন অনুভব। সিডনির এই গালা নাইট যেন ব্রহ্মপুত্রপাড়ের সেই পুরোনো ক্যাম্পাসের আবহ ফিরিয়ে এনেছিল।

অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠনের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বাকৃবি অ্যালামনাই গালা নাইট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনির রকডেলের অভিজাত রেড রোজ ফাংশন সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজনে সন্ধ্যাজুড়ে ছিল প্রাণের মিলন, হাসি-আনন্দ, স্মৃতিচারণ আর একতার আবেশে ভরপুর অ্যালামনাইদের উচ্ছ্বাস। আরও ছিল আলোকচিত্র বুথ, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ, নৈশভোজ।

এ ছাড়া, বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্রকাশিত হয় ম্যাগাজিন ‘প্রবাসে বাউ (BAU) স্পন্দন’। প্রকাশিত ম্যাগাজিনটির প্রধান সম্পাদক ছিলেন ড. নিউটন মুহুরী দেবু, সহযোগী সম্পাদক ড. লতিফ সিদ্দিকী লিটন ও জিয়াউল হক বাবলু।
ধর্মীয় বাণী পাঠ এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
সংগঠনের সভাপতি আবদুল ওয়ারেস বাবুল তার স্বাগত বক্তব্যে উপস্থিত সকল অ্যালামনাই, অতিথি, আয়োজক ও স্পনসরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সাধারণ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান সেলিম সংগঠনের লক্ষ্য, চলমান কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের দর্শকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সাবেক সভাপতি ড. আনোয়ারুল বকসী বিশেষ শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পর্ব পরিচালনা করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক কবির চৌধুরী রুবেল এবং সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রুমানা ইয়াছমিন।
নবীন ও প্রবীণ অ্যালামনাইদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ। এই পর্ব উপস্থাপনা করেন দিনা ও সোহাগ, যাদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

র্যাফেল ড্র পরিচালনা করেন যুগ্মসচিব সত্যজিৎ সাহা আবীর, যেখানে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় অ্যালামনাই শামীম হাসানের একটি শিল্পকর্ম (পেইন্টিং)।
অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয় করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেরুন সুলতানা সাথী, সহযোগিতায় ছিলেন কার্যকরী সদস্য ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন।
গালা নাইটের মধ্যমনি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন দুই বিশিষ্ট অধ্যাপক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ওয়াজুদ্দিন ও অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান।
এক উচ্ছ্বসিত সন্ধ্যার শেষে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় এক অভিন্ন অনুভব। সিডনির এই গালা নাইট যেন ব্রহ্মপুত্রপাড়ের সেই পুরোনো ক্যাম্পাসের আবহ ফিরিয়ে এনেছিল।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।