
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে সিডনি বাংলা উইমেন্স নেটওয়ার্ক (এসবিডব্লিউএন) আয়োজিত এক হৃদয়ছোঁয়া দিনব্যাপী আয়োজন সিডনির বাংলাদেশি বয়োজ্যেষ্ঠদের জীবনে এনে দিল এক অভূতপূর্ব আনন্দ, স্মৃতি আর আবেগের জোয়ার। ‘পুরনো দিনের বনভোজন’ (পিকনিক)—বাংলাদেশের সেই আপন স্মৃতি যেন নতুন করে ফিরে এল সিডনির বুকে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে একটি বড় বাসে এসবিডব্লিউএনের ব্যানার সাঁটিয়ে বাল্কহ্যাম হিলস, ইস্টার্ন সাবার্ব, লাকেম্বা ও মিন্টো থেকে একে একে তুলে নেওয়া হয় কমিউনিটির নানা বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশি বয়োজেষ্ঠ সদস্যদের। বাসে উঠেই শুরু হয় হাসি-খুশির আড্ডা, গান, কবিতা, খেলা আর গল্পের স্রোত। মনে হচ্ছিল যেন বাংলাদেশের সেই চিরচেনা আনন্দময় পিকনিকেই সবাই ফিরে গেছেন।

আয়োজকদের গন্তব্য ছিল নান্দনিক মাউন্ট অ্যানান বোটানিক গার্ডেন। সেখানে প্রকৃতির শান্ত পরিবেশে বয়োজেষ্ঠদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুরে রয়্যাল প্ল্যাটার পরিবেশন করে আকর্ষণীয় মধ্যাহ্নভোজ, সুস্বাদু খাবারের সঙ্গে ছিল মালাই চা, গরম কফি ও লোভনীয় ডেজার্ট।

দিনব্যাপী আয়োজনকে আরও রঙিন করে তোলেন জনপ্রিয় বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী লুতফা। তাঁর উপস্থাপনা বয়োজেষ্ঠদের মন ছুঁয়ে যায়। পুরনো দিনের গান, সিনেমার তারকা চিনে নেওয়ার খেলা, ছবি তোলা, সব মিলিয়ে সিনিয়রদের জন্য এটি হয়ে ওঠে স্মৃতিময় এক দিন।

আয়োজনে সার্বিক সহায়তা ও অনুপ্রেরণার জন্য স্থানীয় বাংলাদেশি ক্যামডেন কাউন্সিলর এলিজা রহমানকে বিশেষ ধন্যবাদ জানায় এসবিডব্লিউএন। তার সহযোগিতা, নেপথ্য পরিকল্পনা, কমিউনিটির সঙ্গে সংযোগ, সবকিছুই অনুষ্ঠানের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দিন শেষে বাস যখন ফেরার পথে, অনেক বয়োজেষ্ঠরা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এটি সিডনিতে তাদের জীবনের অন্যতম সেরা দিন। তাদের কথায় উঠে আসে এসবিডব্লিউএন সত্যিই তাদের মন থেকে বাংলাদেশকে আবার কাছাকাছি এনে দিয়েছে।

“আপনারাই আমাদের কমিউনিটির মূল চালিকা শক্তি। আপনাদের মুখে হাসি দেখতে পারা, আপনাদের স্মৃতির ভূবনে একটু সুখ যোগ করতে পারা, এটাই আমাদের গর্ব,” এভাবেই ভালোবাসা আর সম্মানের বার্তা পৌঁছে দেয় আয়োজক সংগঠন সিডনি বাংলা উইমেন্স নেটওয়ার্ক।

সিডনির প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এটি ছিল এক আন্তরিক, স্মৃতিবহ ও প্রাণবন্ত আয়োজন, যা দীর্ঘদিন মনে রাখার মতো।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে সিডনি বাংলা উইমেন্স নেটওয়ার্ক (এসবিডব্লিউএন) আয়োজিত এক হৃদয়ছোঁয়া দিনব্যাপী আয়োজন সিডনির বাংলাদেশি বয়োজ্যেষ্ঠদের জীবনে এনে দিল এক অভূতপূর্ব আনন্দ, স্মৃতি আর আবেগের জোয়ার। ‘পুরনো দিনের বনভোজন’ (পিকনিক)—বাংলাদেশের সেই আপন স্মৃতি যেন নতুন করে ফিরে এল সিডনির বুকে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে একটি বড় বাসে এসবিডব্লিউএনের ব্যানার সাঁটিয়ে বাল্কহ্যাম হিলস, ইস্টার্ন সাবার্ব, লাকেম্বা ও মিন্টো থেকে একে একে তুলে নেওয়া হয় কমিউনিটির নানা বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশি বয়োজেষ্ঠ সদস্যদের। বাসে উঠেই শুরু হয় হাসি-খুশির আড্ডা, গান, কবিতা, খেলা আর গল্পের স্রোত। মনে হচ্ছিল যেন বাংলাদেশের সেই চিরচেনা আনন্দময় পিকনিকেই সবাই ফিরে গেছেন।

আয়োজকদের গন্তব্য ছিল নান্দনিক মাউন্ট অ্যানান বোটানিক গার্ডেন। সেখানে প্রকৃতির শান্ত পরিবেশে বয়োজেষ্ঠদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। দুপুরে রয়্যাল প্ল্যাটার পরিবেশন করে আকর্ষণীয় মধ্যাহ্নভোজ, সুস্বাদু খাবারের সঙ্গে ছিল মালাই চা, গরম কফি ও লোভনীয় ডেজার্ট।

দিনব্যাপী আয়োজনকে আরও রঙিন করে তোলেন জনপ্রিয় বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী লুতফা। তাঁর উপস্থাপনা বয়োজেষ্ঠদের মন ছুঁয়ে যায়। পুরনো দিনের গান, সিনেমার তারকা চিনে নেওয়ার খেলা, ছবি তোলা, সব মিলিয়ে সিনিয়রদের জন্য এটি হয়ে ওঠে স্মৃতিময় এক দিন।

আয়োজনে সার্বিক সহায়তা ও অনুপ্রেরণার জন্য স্থানীয় বাংলাদেশি ক্যামডেন কাউন্সিলর এলিজা রহমানকে বিশেষ ধন্যবাদ জানায় এসবিডব্লিউএন। তার সহযোগিতা, নেপথ্য পরিকল্পনা, কমিউনিটির সঙ্গে সংযোগ, সবকিছুই অনুষ্ঠানের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দিন শেষে বাস যখন ফেরার পথে, অনেক বয়োজেষ্ঠরা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, এটি সিডনিতে তাদের জীবনের অন্যতম সেরা দিন। তাদের কথায় উঠে আসে এসবিডব্লিউএন সত্যিই তাদের মন থেকে বাংলাদেশকে আবার কাছাকাছি এনে দিয়েছে।

“আপনারাই আমাদের কমিউনিটির মূল চালিকা শক্তি। আপনাদের মুখে হাসি দেখতে পারা, আপনাদের স্মৃতির ভূবনে একটু সুখ যোগ করতে পারা, এটাই আমাদের গর্ব,” এভাবেই ভালোবাসা আর সম্মানের বার্তা পৌঁছে দেয় আয়োজক সংগঠন সিডনি বাংলা উইমেন্স নেটওয়ার্ক।

সিডনির প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এটি ছিল এক আন্তরিক, স্মৃতিবহ ও প্রাণবন্ত আয়োজন, যা দীর্ঘদিন মনে রাখার মতো।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।