
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের আওতায় ক্লেমোরে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯ নম্বর ‘স্ট্রিট লাইব্রেরি’। এই কমিউনিটি উদ্যোগটি পাঠাভ্যাস, জ্ঞানবিনিময় ও সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
রোববার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় এই স্ট্রিট লাইব্রেরির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী আয়োজনে স্থানীয় বাসিন্দা, কাউন্সিল প্রতিনিধি এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এই ‘লিটল লাইব্রেরি’ প্রকল্পটি ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের বৃহত্তর কমিউনিটি সাক্ষরতা কর্মসূচির অংশ, যার লক্ষ্য—স্থানীয় বাসিন্দাদের বই পড়ার অনুপ্রেরণা দেওয়া এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর ইব্রাহিম খলিল মাসুদ ও আশিকুর রহমান অ্যাশ, এনডিসি অ্যালামনাই সভাপতি সাইমন হোসেন, লেখক গ্লেন কোসার, মিনা স্কানদারি, কমিউনিটি নেতা মো. শফিকুল আলম, গামা আবদুল কাদির, ড. মো. সিরাজুল হক, লি নিনহ্যাম, আল-ফয়সাল কলেজ, ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধিসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের সফল আয়োজন ও উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য মরতেজা ইব্রাহিমিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়।

লাইব্রেরির নান্দনিক সজ্জা ছিল অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ, যা সৃজনশীলভাবে সম্পন্ন করেছে আল-ফয়সাল কলেজের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা। তাদের এই অবদানের জন্য কলেজ প্রধান সোনালি লুথরাকে ধন্যবাদ জানানো হয়। যিনি শিক্ষা ও কমিউনিটি উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরির সভাপতি কামাল পাশা ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অ্যাশ সকল অতিথি, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রতিটি নতুন লাইব্রেরি জ্ঞানের আলো ছড়ানোর এক একটি প্রদীপ। বইয়ের মাধ্যমে আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে মানুষ পড়বে, শিখবে এবং একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হবে।
ক্যাম্বেলটাউন অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক স্ট্রিট লাইব্রেরি শুধু বই পড়ার সংস্কৃতিই নয়, বরং কমিউনিটির বন্ধন ও মানবিক সম্পর্ককেও মজবুত করে তুলছে। ম্যাকআর্থার অঞ্চলে কমিউনিটি সাক্ষরতা ও সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধির পথে এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি আরেকটি মাইলফলক।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের আওতায় ক্লেমোরে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯ নম্বর ‘স্ট্রিট লাইব্রেরি’। এই কমিউনিটি উদ্যোগটি পাঠাভ্যাস, জ্ঞানবিনিময় ও সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
রোববার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় এই স্ট্রিট লাইব্রেরির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী আয়োজনে স্থানীয় বাসিন্দা, কাউন্সিল প্রতিনিধি এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এই ‘লিটল লাইব্রেরি’ প্রকল্পটি ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের বৃহত্তর কমিউনিটি সাক্ষরতা কর্মসূচির অংশ, যার লক্ষ্য—স্থানীয় বাসিন্দাদের বই পড়ার অনুপ্রেরণা দেওয়া এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর ইব্রাহিম খলিল মাসুদ ও আশিকুর রহমান অ্যাশ, এনডিসি অ্যালামনাই সভাপতি সাইমন হোসেন, লেখক গ্লেন কোসার, মিনা স্কানদারি, কমিউনিটি নেতা মো. শফিকুল আলম, গামা আবদুল কাদির, ড. মো. সিরাজুল হক, লি নিনহ্যাম, আল-ফয়সাল কলেজ, ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধিসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের সফল আয়োজন ও উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য মরতেজা ইব্রাহিমিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয়।

লাইব্রেরির নান্দনিক সজ্জা ছিল অনুষ্ঠানটির অন্যতম আকর্ষণ, যা সৃজনশীলভাবে সম্পন্ন করেছে আল-ফয়সাল কলেজের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা। তাদের এই অবদানের জন্য কলেজ প্রধান সোনালি লুথরাকে ধন্যবাদ জানানো হয়। যিনি শিক্ষা ও কমিউনিটি উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরির সভাপতি কামাল পাশা ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অ্যাশ সকল অতিথি, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রতিটি নতুন লাইব্রেরি জ্ঞানের আলো ছড়ানোর এক একটি প্রদীপ। বইয়ের মাধ্যমে আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে মানুষ পড়বে, শিখবে এবং একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হবে।
ক্যাম্বেলটাউন অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সংখ্যক স্ট্রিট লাইব্রেরি শুধু বই পড়ার সংস্কৃতিই নয়, বরং কমিউনিটির বন্ধন ও মানবিক সম্পর্ককেও মজবুত করে তুলছে। ম্যাকআর্থার অঞ্চলে কমিউনিটি সাক্ষরতা ও সামাজিক সংযোগ বৃদ্ধির পথে এ-বি স্ট্রিট লাইব্রেরি আরেকটি মাইলফলক।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।