
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। দ্রুতই এ প্রস্তাবের বিষয়ে সাড়া দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি। তবে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে ইসরায়েলি প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয় বলেও জানান তিনি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, গাজায় যুদ্ধ বন্ধের নিশ্চয়তা এবং ইসরায়েলে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হলে জিম্মিদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত বলে জানায় হামাস।
এদিকে গতকাল সোমবারও (১৪ এপ্রিল) বেত লাহিয়া, আল-মাওয়াসিসহ গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। এসব হামলায় অন্তত ১৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের কাছে সামরিক যানে ১৮ কোটি ডলারের ব্যবহৃত ইঞ্জিন বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। মাঝে গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। তবে ১৮ মার্চ চুক্তি ভেঙে গাজায় ইসরায়েল আবারও আক্রমণ শুরু করে।
২০২৩ সালে হামলার শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রাণ গেছে প্রায় ৫১ হাজারের বেশি মানুষের। আহতের সংখ্যা এক লাখ ১৫ হাজারের বেশি। বাস্তুচ্যুত হয়েছে বহু মানুষ।

ইসরায়েলের নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। দ্রুতই এ প্রস্তাবের বিষয়ে সাড়া দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হামাসের মুখপাত্র সামি আবু জুহরি। তবে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণে ইসরায়েলি প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয় বলেও জানান তিনি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, গাজায় যুদ্ধ বন্ধের নিশ্চয়তা এবং ইসরায়েলে থাকা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হলে জিম্মিদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত বলে জানায় হামাস।
এদিকে গতকাল সোমবারও (১৪ এপ্রিল) বেত লাহিয়া, আল-মাওয়াসিসহ গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। এসব হামলায় অন্তত ১৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের কাছে সামরিক যানে ১৮ কোটি ডলারের ব্যবহৃত ইঞ্জিন বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। মাঝে গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। তবে ১৮ মার্চ চুক্তি ভেঙে গাজায় ইসরায়েল আবারও আক্রমণ শুরু করে।
২০২৩ সালে হামলার শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রাণ গেছে প্রায় ৫১ হাজারের বেশি মানুষের। আহতের সংখ্যা এক লাখ ১৫ হাজারের বেশি। বাস্তুচ্যুত হয়েছে বহু মানুষ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।