
বিডিজেন ডেস্ক

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে এবার বিশ্বের ১০২টি দেশে ৭০০ টন খেজুর পাঠাবে সৌদি আরব। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২০০ টন বেশি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রমজান মাস উপলক্ষে সৌদি বাদশাহ সালমানের উপহার কর্মসূচির অংশ এই খেজুর বিতরণ কর্মসূচি।
আরব নিউজ জানায়, বিশ্বের ১০২টি দেশে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের কাছে এই খেজুরগুলো পাঠানো হবে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুললতিফ বিন আবদুল আজিজ আল–শেখ এ উদ্যোগের জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এছাড়া মুসলিম দেশগুলোতে ইসলামি মূল্যবোধ ও আদর্শ বাস্তবায়নসহ চরমপন্থা, ঘৃণা এবং উগ্রপন্থা মোকাবিলায় সৌদি কর্তৃপক্ষের অব্যাহত সমর্থন থাকবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
সৌদি সরকার জানায়, পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ১০২টি দেশে খেজুর পাঠানোর যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে এবার বিশ্বের ১০২টি দেশে ৭০০ টন খেজুর পাঠাবে সৌদি আরব। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২০০ টন বেশি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রমজান মাস উপলক্ষে সৌদি বাদশাহ সালমানের উপহার কর্মসূচির অংশ এই খেজুর বিতরণ কর্মসূচি।
আরব নিউজ জানায়, বিশ্বের ১০২টি দেশে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসের কাছে এই খেজুরগুলো পাঠানো হবে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুললতিফ বিন আবদুল আজিজ আল–শেখ এ উদ্যোগের জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এছাড়া মুসলিম দেশগুলোতে ইসলামি মূল্যবোধ ও আদর্শ বাস্তবায়নসহ চরমপন্থা, ঘৃণা এবং উগ্রপন্থা মোকাবিলায় সৌদি কর্তৃপক্ষের অব্যাহত সমর্থন থাকবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
সৌদি সরকার জানায়, পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ১০২টি দেশে খেজুর পাঠানোর যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।