
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বেসরকারি কর্মীদের জন্য ঈদুল ফিতরের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর গভর্নমেন্ট হিউম্যান রিসোর্সেসের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, আরব আমিরাতে ঈদুল ফিতরের বেসরকারি ছুটি ৩০ মার্চ রোববার শুরু হয়ে ১ এপ্রিল শেষ হবে। আর রোজা ৩০টা হলে ছুটি থাকবে ২ এপ্রিল পর্যন্ত।
আরব আমিরাতে এবার ২৯ মার্চ (শনিবার) অর্থাৎ ২৯ রমজানের শেষে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে ।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরকারি কর্মীদের জন্য ঈদুল ফিতরের ছুটি ঘোষণা করা হয়। ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি আরবি ১৪৪৬ হিজরির ১ শাওয়াল থেকে শুরু হয়ে ৩ শাওয়ালে শেষ হবে। ৪ শাওয়ালে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবার কাজ শুরু হবে।
দেশটিতে যদি ৩০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয় তাহলে সরকারি কর্মীরা ১ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের ছুটি পাবেন। সরকারি কর্মীরা ঈদুল ফিতরে অতিরিক্ত একদিনের ছুটি পাবেন। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ২ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বেসরকারি কর্মীদের জন্য ঈদুল ফিতরের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর গভর্নমেন্ট হিউম্যান রিসোর্সেসের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, আরব আমিরাতে ঈদুল ফিতরের বেসরকারি ছুটি ৩০ মার্চ রোববার শুরু হয়ে ১ এপ্রিল শেষ হবে। আর রোজা ৩০টা হলে ছুটি থাকবে ২ এপ্রিল পর্যন্ত।
আরব আমিরাতে এবার ২৯ মার্চ (শনিবার) অর্থাৎ ২৯ রমজানের শেষে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে ।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরকারি কর্মীদের জন্য ঈদুল ফিতরের ছুটি ঘোষণা করা হয়। ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি আরবি ১৪৪৬ হিজরির ১ শাওয়াল থেকে শুরু হয়ে ৩ শাওয়ালে শেষ হবে। ৪ শাওয়ালে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবার কাজ শুরু হবে।
দেশটিতে যদি ৩০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয় তাহলে সরকারি কর্মীরা ১ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের ছুটি পাবেন। সরকারি কর্মীরা ঈদুল ফিতরে অতিরিক্ত একদিনের ছুটি পাবেন। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ২ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।